রবিবার, ১৭-নভেম্বর ২০১৯, ০২:৫১ অপরাহ্ন

১৫ই আগস্ট: জাতির জনকের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা

shershanews24.com

প্রকাশ : ১৪ আগস্ট, ২০১৭ ০৯:৪৩ অপরাহ্ন

কাজী শওকত হোসেন: একজন মানুষ হিসেবে সমগ্র মানবজাতি নিয়েই আমি ভাবি। একজন বাঙালী হিসেবে যা কিছু বাঙালীদের সাথে সম্পর্কিত তাই আমাকে গভীরভাবে ভাবায়। এই নিরন্তর সম্পৃক্তের উৎস ভালবাসা, অক্ষয় ভালবাসা, যে ভালবাসা আমার রাজনীতি ও অস্তিত্বকেই অর্থবহ করে তোলে। ১৫ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবসে বিনম্র শদ্ধা জানিয়েই জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর এই কথা দিয়েই আজকের লেখা শুরু করছি। বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ এই নাম দুইটি সমার্থক অথবা একে অপরের পরিপূরক। বঙ্গবন্ধুর নামের সাথে মিশে আছে বাংলাদেশ। যাকে কোনভাবে আলাদা করা যায় না। বাংলাদেশের মানুষ ফুল, ফল, পাখি বিস্তীর্ণ সবুজ ফসলের মাঠ। নদী-নালা, খাল-বিল, জীব বৈচিত্রকে যিনি আপন করে নিতে পেরেছিলেন মানবিকতায় ও গভীর মমত্তবোধে। মানুষের ভালবাসায় সিক্ত হয়েছিলেন আর স্বমহিমায় উদ্ভাসিত হয়েছিলেন তার অপরিসীম দুরদর্শীতা, স্নেহ মমতা, ভাললাগা ভালবাসার দূর্দমনীয় টানে। কোন প্রাসাদ ষড়যন্ত্রই তাকে দমিয়ে দিতে পারেনি। তিনি ছিলেন অকুতভয়, সাহসী, সৎ চিন্তার অধিকারী, দায়িত্বশীল পরিপূর্ণ মানুষ স্বামী, পিতা, ভাই, নেতা বঙ্গবন্ধু সর্বোপরি জাতির পিতা, বাঙালী জাতির নির্ভরযোগ্য ঠিকানা। মহান আল্লাহ প্রদত্ত সম্মোহনী শক্তি একটু বেশীই দিয়েছিল তার মধ্যে। তার ব্যক্তিত্ব, চিন্তা শক্তি ছিল অতূলনীয়। তার ভরাট কণ্ঠস্বর সময়োপযোগী শব্দচয়ন, তার বক্তব্যের প্রকাশ ভঙ্গি, তার শারীরিক উচ্চতা ও নেতৃত্বসূলভ চেহারা, তার দৃঢ়তা সবকিছুই তাকে অনন্য উচ্চতা ও আকর্ষণীয় করে তুলেছিল অতি মানবীয় গুণাবলির কারণে। দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিশ্বের নির্যাতিত, নিপীড়িত মানুষের কণ্ঠস্বর হিসেবে স্বীকৃতিলাভ করেছেন তিনি। বাঙালী জাতিসহ অধিকারহারা মানুষদের তিনি অনুপ্রাণিত করেছেন, উৎসাহিত করেছেন। তিনি ছিলেন নির্মোহ ও নির্লোভ একজন মহানায়ক ও মহামানব। বাঙালী জাতিকে তিনি শুধু আবাসভূমি ও স্বাধীনতা দিয়েই যাননি, জাতি গঠনে তিনি যে দিক-নির্দেশনা দিয়ে গেছেন, শিক্ষা, জ্ঞান-বিজ্ঞানে আধুনিক ও উন্নত জীবন গঠনে তিনি যে পরিকল্পনা নিয়ে কাজ শুরু করেছিলেন তারই সুফল আমরা ভোগ করছি। তার  রেখে যাওয়া অসমাপ্ত কর্মসূচী তার যোগ্য উত্তরসুরী তার কন্যা দেশরতœ শেখ হাসিনা জনগণকে সাথে নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন। বাংলাদেশ এখন উন্নত সুখী সমৃদ্ধশালী দেশ গড়ার লক্ষ্য স্থির করে মানুষের জীবনমান যাতে আরও উন্নত হয়, সুখী ও নিরাপদ হয়, গণতান্ত্রিক রাজনীতির চর্চা যাতে ব্যাপক প্রসার লাভ করে, পরম সহিঞ্চুতা মানুষের বাক স্বাধীনতা, ব্যক্তি স্বাধীনতা, ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা, দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়া, ছাত্র-যুব সমাজকে মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের অবক্ষয়ের হাত থেকে রক্ষা করা যারা কিনা আগামীতে জাতিকে নেতৃত্ব দিবে, তারা যাতে নীতিবান, আদর্শবান, চরিত্রবান, প্রকৃত ধার্মিক ও শিক্ষিত জাতি হিসেবে গড়ে ওঠে তার জন্য বঙ্গবন্ধুর রেখে যাওয়া আদর্শের চর্চা অব্যাহত রাখা এবং বদলে যাওয়া পৃথিবীর সাথে নিজেদের মানিয়ে নেওয়ার মত মেধা যোগ্যতা অর্জন করা। তথ্য প্রযুক্তির প্রচার প্রসার ও ব্যবহার উপযোগী হিসেবে গড়ে তুলতে পারলেই স্বল্প আয়ের দেশ থেকে নিন্ম মধ্য আয়ের দেশে উঠে আসা এবং ২০২১ সালের মধ্যেই মধ্যম আয়ের দেশে রূপান্তরিত হওয়া ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত হওয়া বা তার আগেই বাস্তবরূপ লাভ করা অসম্ভব নয়। বাংলাদেশ তার নিজস্ব শক্তি, মেধার সমন্বয় ঘটিয়ে অত্যন্ত পরিশ্রমী জাতি হিসেবে আমরা আতœপ্রকাশ করতে সমর্থ হয়েছি ইতিমধ্যেই। আমাদের আরও বহুদূর যেতে হবে। প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে মেধা ও দক্ষতার সমন্বয় ঘটিয়ে ঐক্যবদ্ধ জাতি হিসেবে আমরা আমাদের লক্ষ্যে পৌছাতে পারি। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে মানুষটির কারণে বাঙালী তার নিজস্ব স্বাধীন দেশ, তার নিজস্ব ভাষা যার স্থান পৃথিবীতে অষ্টম। নিজস্ব পতাকা, জাতীয় সংগীতসহ সবকিছু এখন পর্যন্ত অর্জন করা সম্ভব হয়েছে, সেই স্মরণীয়, বরণীয়, বাঙালীর সিংহপুরুষ, বাঙালী জাতির অহংকার, বাঙালী হিসেবে যার পরিচয়ে আমরা পরিচিত সেই জাতির মধ্যে কেউ বুঝে কেউ না বুঝে বঙ্গবন্ধুকে কখনও কখনও খাটো করে কথা বলে কিছু মানুষ তাকে অসম্মান, অশ্রদ্ধা করলে বঙ্গবন্ধুর উচ্চতাকে কখনই ছোট করা বা তার সমকক্ষ করা সম্ভব হবে না। বরং আমরা তাকে যতবেশি সম্মান ও শ্রদ্ধা দেখাব ব্যক্তি ও জাতি হিসেবে আমরা ততবেশি গৌরবান্বিত হব। মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ মানুষের জীবন দেয়া, ২ লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রমহানী, হাজার হাজার কোটি টাকার সম্পদ বিনষ্ট হয়েছে সেই সব বাস্তব সত্যকে অস্বীকার অথবা বিতর্কিত করা যাদের কাজ তারা চিরকালই পাকিস্তানের দালাল ও রাজাকার হিসেবে পরিচিত হয়ে থাকবে। বাঙালী জাতি হিসেবে পৃথিবীর বুকে মাথা উঁচু করে আতœপরিচয়ে বলিয়ান হয়ে বীরত্ব গাঁথা ইতিহাসের অধিকারী হিসাবে কথা বলতে তারা লজ্জা পায়। পাকিস্তানের নৃশংসতা, নিষ্ঠুরতা, বর্বরতা কত ভয়ানক ছিল তা বলে শেষ করা যায় না। বাবার সামনে মেয়েকে ধর্ষণ, ছেলের সামনে মাকে ধর্ষণ, ভাইয়ের সামনে বোনকে ধর্ষণ, কি নির্মম নিষ্ঠুরতা। বাঙালী জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বর্বরোচিত হত্যা, মৃত্যুর আগে পানি খেতে চাইলে মুখে প্রস্রাব করে পানির তৃষ্ণা মিঠিয়ে দিত সেই হায়নার দল। সেদিন আল্লাহর আরশ পর্যন্ত কেঁপে উঠেছিল। তাদের যারা সহায়তা করেছে, মানুষ হত্যা করেছে, অসংখ্য মানুষকে সীমাহীন নির্যাতন করেছে, তাদের অনেকেই আজো অনুতপ্ত হয় না, তাদের উদ্ধত্যপূর্ণ মন্তব্য যা সারা জাতিকে ক্ষুব্ধ করেছে। যারা যুদ্ধাপরাধী হিসেবে সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে শাস্তিপ্রাপ্ত ফাঁসির আসামী তাদের সমর্থনকারী যারা তারাও তো যুদ্ধাপরাধী। বিভিন্ন সময় তারা অপরাধীদের পক্ষে কথা বলে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছে। আইন আদালতকে অমান্য করেছে। সেই জন্যই আমি আমার আগের একটি লেখায় “হলকষ্ট ডিনায়েল ল”-এর কথা বলেছি যা আমাদের দেশে আইন হিসেবে পাশ করা প্রয়োজন। জার্মানসহ ১৬টি দেশে এই আইন বলবৎ আছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অপরাধকারীদের পক্ষ অবলম্বন অনুসরণ করলেই তাদের শাস্তি অবধারিত। আর আমাদের দেশে যুদ্ধ অপরাধীরা এমপি ও মন্ত্রী হয়, রাজনীতি করে, সমাজে তাদের প্রভাব প্রতিপত্তি দেখলে মনে হয় যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করে মুক্তিকামী সাধারণ মানুষ, মুক্তিযোদ্ধারা অপরাধ করে ফেলেছে। দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধারা আজও তারা কেউ রিক্সা চালায়, কেউ দিন মুজুর, কেউ অভাবের তাড়নায় আত্মহত্যা করে, কেউ জীর্ণশির্ণ রোগে আক্রান্ত হয়ে কোন রকমে বেঁচে আছে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি হয়ে। অনেক মুক্তিযোদ্ধার ছেলে-মেয়ে উচ্চ শিক্ষা লাভ করতে পারেনি, অল্প শিক্ষিত হওয়ায় প্রতিযোগিতায় টিকতে পারে না। চাকরির ক্ষেত্রে ঘুষ দিতে না পারার কারণে যোগ্যতা অনুযায়ী চাকরি হয় না অনেকেরই। আর ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের দাপট খুব বেশি। দুঃখজনক হলেও সত্য আসল মুক্তিযোদ্ধারাই ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা তৈরীর মূল কারিগর। আমি ব্যক্তিগতভাবে একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, আমার বাবার নাম মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায় নেই, সর্বশেষ ২০১৪ সালের ৩১শে অক্টোবর তালিকাভূক্ত হওয়ার সময় আমি আমেরিকায় অবস্থান করার কারণে বাবার নাম অন্তর্ভূক্ত করতে ব্যর্থ হয়েছি। সেটা আমার দোষ সে জন্য কাউকে দায়ী করছি না। কিন্তু যখন দেখি আমার খুবই পরিচিত আত্মীয় আপনজন ৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় সরকারি চাকরিতে নিয়মিত অফিস করেছে পাকিস্তান সরকারের অধীনে, মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে যার কোন সম্পর্ক ছিল না তিনি এখন ইউনিয়ন কমান্ডার। এধরনের অসখ্য ঘটনার কথা বলা যায়। দেশ স্বাধীন হয়েছে ৪৬ বৎসর, আজও মুক্তিযোদ্ধাদের নামের তালিকা ঠিক করা গেল না। মুক্তিযোদ্ধারা স্বাভাবিক নিয়মে মৃত্যুবরণ করার কারণে তাদের সংখ্যা আস্তে আস্তে কমে যাওয়ার কথা কিন্তু দিন দিন তাদের সংখ্যা বাড়ছে। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান-মর্যাদা, সুযোগ-সুবিধা দিয়েছে বলে মুক্তিযোদ্ধাদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে অনৈতিক উপায়ে। আমি তাই মনে করি। প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের সম্ভব হলে আরও বেশি সাহায্য-সহযোগিতা বৃদ্ধি করা হবে ভবিষ্যতে, তাতে কারও কোন আপত্তি নেই, কারণ তারাই জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান, সম্মান ও সুযোগ-সুবিধা তাদের প্রাপ্য। কষ্ট হয় তখনি, যখন নকল মুক্তিযোদ্ধারা সুযোগ-সুবিধা পায়। ভুয়ারা না পেয়ে আসল মুক্তিযোদ্ধারা এই নকলদের দেওয়া সুবিধাগুলি পেলে তারা উপকৃত হতো বেশি, জাতি খুশি হতো। কিন্তু সরকারই বা কি করবে, যাদের জন্য এত আয়োজন তাদের মধ্যেই সমস্যা বিদ্যমান। ১৫ আগষ্ট জাতীয় শোক দিবস আজ থেকে ৪২ বছর আগে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (তার দুই মেয়ে ছাড়া) পরিবারের সকলকে নির্মমভাবে হত্যা করে বিপদগামী সেনা বাহিনীর কিছু সদস্য মেজর ডালিম, কর্ণেল রশীদ, কর্ণেল ফারুক, হাবিলদার মুসলে উদ্দিন, কর্ণেল পাশা, ক্যাপ্টেন কিসমতসহ আরও অনেকে। খন্দকার মোস্তাক ছিলেন নাটের গুরু, জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর সরকারকে উৎখাত করার বিষয়টি কর্ণেল রশিদ ও ফারুকের মাধ্যমে জানত। বিবিসি’র সাথে সাক্ষাৎকারে রশিদ, ফারুক সেকথাই স্পষ্ট করে বলেছেন। বহুবার রেডিও, টেলিভিশনে তাদের সাক্ষাৎকার প্রচারিত হয়েছে। জিয়া তখন উপ-প্রধান সেনাপতির দায়িত্বে নিয়োজিত ছিল। তিনি এমন খবর সরকার উৎখাতকারীদের কাছ থেকে জানার পরও তাদেরকে উৎসাহিত করেছেন, বঙ্গবন্ধুকে অবগত করার প্রয়োজন মনে করেনি। বঙ্গবন্ধু হত্যা ও সরকার পরিবর্তন হওয়ার পর খুনিদের রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে অর্থ প্রদান, নিরাপদে বিদেশে পাঠানো, দূতাবাসে চাকরি, বহুদলীয় গণতন্ত্রের নামে গোলাম আযমকে দেশে ফিরিয়ে আনা, জামাতকে নিষিদ্ধ অবস্থা থেকে রাজনীতি করার অধিকার, রাজাকার ও যুদ্ধাপরাধীদের পুনর্বাসন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭ খুনের আসামী সদ্য প্রয়াত সফিউল আলম প্রধানকে মুক্তি দেওয়া, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি, ৭৩ সালে গঠন করা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ট্রাইবুনাল বাতিল, ১১ হাজার যুদ্ধাপরাধীকে মুক্ত করে দেওয়া সবই করেছেন জিয়া। ৭৩ সালে এ্যাড. খন্দকার মাহাবুব ছিলেন সরকারের পক্ষে পাবলিক প্রসিকিউটর আর এখন তিনি খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা, যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষের প্রধান আইনজীবী। জিয়া-এরশাদ দুই স্বৈরাচারের চরিত্র এক ও অভিন্ন। খালেদা জিয়া মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ চেতনা বিরোধী দেশী-বেদিশী শক্তি দ্বারা পরিবেষ্টিত। তিনি জামাতের দর্শন, জঙ্গী দর্শন, আগুন সন্ত্রাসে বিশ্বাসী। ধর্মকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে জামাতের মত মৌলবাদে বিশ্বাসী, সহিংসতায় বিশ্বাসী। খালেদা জিয়া এখন দুর্নীতি মামলার মোকাবেলা করছেন। বিএনপি’র নেতারা মাঝে মাঝে সরকারের সাথে সংলাপের কথা বলেন, আলোচনায় বসার তাগিদ দেন অথচ ১৫ আগষ্ট খালেদা জিয়ার জন্মদিন না হওয়া স্বত্ত্বেও ভূয়া মিথ্যা জন্মদিন পালন করে জাতির সাথে প্রতারণা করছেন। খালেদা জিয়াকে আওয়ামী লীগ থেকে বারবার বিনয়ের সাথে মিথ্যা জন্মদিন পালন করা থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করা স্বত্ত্বেও কর্ণপাত করছেন না। খালেদার তো আরও চারটি জন্মদিন আছে তার যে কোন একদিন দিবসটি পালন করলেই হয়, তাতে কারো কোন আপত্তি থাকবে না। যে দিনটিতে সারা জাতি শোকে আচ্ছন্ন থাকে, সেই দিন ৭৬ কেজি ওজনের কেক কাটবেন, ঐক্যের আর আলোচনার কথা বলবেন তা হয় না। তারা জাতিকে কি দিতে পেরেছে বা পারবে? সরকার ও সরকারি দলকেও দল পরিচালনায় আরও দক্ষতা, নিরপেক্ষতা, স্বচ্ছতার সাথে অপরাধীদের কঠোরভাবে সাংগঠনিক ও আইনের আওতায় এনে শাস্তির নিশ্চয়তা নিশ্চিত করতে হবে, অপরাধী যত শক্তিশালী হউক- সরকার, বিচার বিভাগ, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে জনগণ সেটাই আশা করে।
লেখক, কলামনিষ্ট, রাজনৈতিক বিশ্লেষক
Email: kazishowkot6360@gmail.com
তারিখঃ ০১/০৮/২০১৭ইং