বুধবার, ২১-নভেম্বর ২০১৮, ০৮:২০ পূর্বাহ্ন
  • জেলা সংবাদ
  • »
  • পুলিশের ভয়ে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে যুবকের মৃত্যু, ২ পুলিশ ক্লোজড

পুলিশের ভয়ে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে যুবকের মৃত্যু, ২ পুলিশ ক্লোজড

Shershanews24.com

প্রকাশ : ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০৯:২২ অপরাহ্ন

শীর্ষনিউজ, জামালপুর : জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় পুলিশের ভয়ে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে অটোচালকের মৃত্যুর ঘটনায় মডেল থানার এএসআই মাসুদ করিম এবং ড্রাইভার কনস্টেবল আবু তালেবকে ক্লোজড করা হয়েছে।
পুলিশ সুপারের নির্দেশে তাদেরকে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওসি একেএম আমিনুল হক।
রোববার রাতে চিকাজানী চন্দ্রাপাড়া গ্রামের চুন্নু মিয়ার ছেলে অটোচালক আপেল নিখোঁজ হয়। সোমবার লাশ নদী থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিরা উদ্ধার করেন। ময়নাতদন্তের জন্য পুলিশ জামালপুর মর্গে পাঠালে জামালপুরে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ না থাকায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়। 
মঙ্গলবার রাতে মডেল থানার পুলিশ লাশের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
বুধবার বিকেলে মডেল থানার ওসি জানান, এ বিষয়ে কোনো মামলা হয়নি। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
প্রসঙ্গত, দেওয়ানগঞ্জে পুলিশের ভয়ে নদীতে ডুবে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের দাবি পুলিশ পিটিয়ে নদীতে ফেলেছে। সোমবার সকালে দেওয়ানগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের জামালপুরের ডুবুরিরা নদী থেকে লাশ উদ্ধার করে। 
নিহত রবিউল ইসলাম আপেল (২৩) উপজেলার চিকাজানী ইউনিয়নের চন্দ্রাপাড়া গ্রামের লিয়াকত আলী চুন্নুর ছেলে।
দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানার ওসি তদন্ত লুৎফর রহমান জানান, থানার সামনে অবৈধ যানবাহন আটকের সময় এক যুবক আটোতে ছিল। পুলিশ দেখে নদীর দিকে দৌড়ে পালায়। ওই সময় থেকেই আপেল নিখোঁজ হয়। আপেলের বিরুদ্ধে ৫টি মাদক মামলা রয়েছে।
ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, লাশের শরীরের কোনো কাপড় ছিল না। এদিকে নিহতের স্ত্রী সোহাগী বেগম ও তার স্বজনদের দাবি পুলিশ পিটিয়ে আপেলকে নদীতে ফেলেছে।
দেওয়ানগঞ্জ পৌর মেয়র শাহনেওয়াজ শাহান শাহ জানান, পুলিশি অত্যাচারে আপেলের মৃত্যু হয়েছে। লাশের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। নাক ও মুখ ছিল রক্তাক্ত। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে বিচার দাবি করেন।
মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জানান আপেলকে পুলিশ আটক করে নাই। তার ইজিবাইক থামাতে ইশারা দেয়া হয়েছিল।
শীর্ষনিউজ/প্রতিনিধি/এমই