বৃহস্পতিবার, ১৭-অক্টোবর ২০১৯, ০২:৩৪ অপরাহ্ন
  • অর্থনীতি
  • »
  • পেঁয়াজের রপ্তানি মূল্য তিনগুণ করল ভারত

পেঁয়াজের রপ্তানি মূল্য তিনগুণ করল ভারত

shershanews24.com

প্রকাশ : ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১১:১৯ অপরাহ্ন

শীর্ষনিউজ, ঢাকা : অভ্যন্তরীণ বাজারে পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণের চেষ্টায় রপ্তানিতে লাগাম টেনে দিয়েছে ভারত সরকার, যার প্রভাব বাংলাদেশেও পড়বে। পেঁয়াজ রপ্তানিতে আবারও ন্যূনতম দাম ঠিক করে দিয়ে ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বৈদেশিক বাণিজ্য শাখা শুক্রবার বলেছে, এখন থেকে প্রতি মেট্রিক টন পেঁয়াজ ৮৫০ ডলারের কমে রপ্তানি করা যাবে না।

বাংলাদেশের আমদানিকারকরা বলছেন, গতবছর ফেব্রুয়ারির পর ভারতীয় পেঁয়াজের ন্যূনতম রপ্তানিমূল্যের ওই বাধ্যবাধকতা ছিল না। গত সপ্তাহেও তারা প্রতি টন ভারতীয় পেঁয়াজ ২৫০ থেকে ৩০০ ডলারে আমদানি করেছেন। এখন ভারত ন্যূনতম রপ্তানি মূল্য বেঁধে দেওয়ায় তা বেড়ে প্রায় তিন গুণ হবে। 

তবে ঢাকার পাইকাররা বলছেন, এখন ভারত ছাড়াও বিভিন্ন দেশ থেকে পেঁয়াজ আসে। তার সঙ্গে দেশের উৎপাদন মিলিয়ে ঘাটতি খুব বেশি হবে না। ফলে খুচরা বাজারে দাম কিছুটা বাড়লেও পরিস্থিতি অতটা মারাত্মক হওয়ার কথা নয়।  

চলতি বছর বন্যার কারণে ভারতের মহারাষ্ট্র ও কর্ণাটকে পেঁয়াজের উৎপাদন বড় ধাক্কা খেয়েছে। ফলে পেঁয়াজের পাশাপাশি নিত্যপণ্যের দামও বাড়ছে গত কিছুদিন ধরে। 

ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের খবর অনুযায়ী, দিল্লি আর কলকাতার খুচরা বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ রুপিতে, যা সপ্তাহ দুই আগেও ২০ থেকে ৩০ রুপি ছিল।

আর ঢাকার বাজারে শুক্রবার প্রতি কেজি ভারতীয় পেঁয়াজ ৫০ থেকে ৫৫ টাকায় এবং দেশি পেঁয়াজ ৫৫ টাকা থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নতুন নির্দেশনা ইতোমধ্যে স্থলবন্দর কাস্টমসের হাতে পৌঁছেছে। শনিবার থেকেই নতুন দামে এলসি খুলতে হবে বাংলাদেশের আমদানিকারকদের।

দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সাধারন সম্পাদক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তাক বলেন, “আজ শুক্রবার আমদানি-রপ্তানি বন্ধ ছিল। গতকালও আমরা প্রতিটন পেঁয়াজ ৩০০ ডলারে আনতে পেরেছি। ভারতীয় ব্যবসায়ীরা আভাস দিচ্ছিলেন এই দাম দুই এক দিনের মধ্যে ৪০০ ডলার ছাড়িয়ে যাবে। কিন্তু ভারত সরকার বাড়িয়ে দিল তারচেয়েও অনেক বেশি।” ফলে সামনের সপ্তাহেই দেশের বাজারে ভারতীয় পেঁয়াজের দাম বেড়ে যাবে বলে ধারণা করছেন মোস্তাক।
শীর্ষনিউজ/এসএসআই