মঙ্গলবার, ২২-অক্টোবর ২০১৯, ০৩:২০ অপরাহ্ন
  • এক্সক্লুসিভ
  • »
  • দুর্নীতি-লুটপাটের মহোৎসব: টেন্ডার সিন্ডিকেটের খপ্পরে শহীদ তাজউদ্দিন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

দুর্নীতি-লুটপাটের মহোৎসব: টেন্ডার সিন্ডিকেটের খপ্পরে শহীদ তাজউদ্দিন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

shershanews24.com

প্রকাশ : ২৮ জুলাই, ২০১৯ ০৪:১৬ অপরাহ্ন

সাপ্তাহিক শীর্ষকাগজের সৌজন্যে: গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল। মহান মুক্তিযুদ্ধকালীন অস্থায়ী সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদের নামে নামকরণ করা হয়েছে এর। ১৯৭৮ সালে জয়দেবপুর থানা হেলথ কমপ্লেক্স নামে এ হাসপাতালটির যাত্রা শুরু হয়েছিল। শুরুতে এর শয্যা সংখ্যা ছিল ৩১টি। পরে বিভিন্ন সময়ে এর শয্যাসংখ্যা বাড়ানো হয়। ২০১৩ সালের ২২ আগস্ট হাসপাতালটিকে ৫শ’ শয্যায় রূপান্তরিত করা হয়। গাজীপুরবাসীর দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে ২০১৪ সালের ২০ অক্টোবর থেকে হাসপাতালটির নামকরণ করা হয় শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল। সদর হাসপাতালের সম্প্রসারিত ভবনে এর শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়। একইসাথে চলে নির্মাণের বিশাল কর্মযজ্ঞ।
একটি থানা হাসপাতাল থেকে ৫শ’ শয্যার হাসপাতালে উন্নীত হওয়া এবং এরপরে খুব অল্পসময়ের মধ্যে জেলার একমাত্র মেডিকেল কলেজে রূপান্তরে বরাদ্দ করা হয়েছে শ’ শ’ কোটি টাকা। তবে এই মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালটি পরিণত হয়েছে লুটপাট আর দুর্নীতির আখড়ায়। বিভিন্ন সময়ে বরাদ্দ হওয়া টাকার কতটা আসলে হাসপাতাল ও কলেজের কাজে ব্যবহার করা হয়েছে তা নিয়ে যেমন মানুষের মনে প্রশ্ন আছে তেমনি এ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালকে ঘিরে একাধিক মাফিয়া ঠিকাদার সিন্ডিকেটের সীমাহীন দুর্নীতির দৌরাত্মের কথাও সবারই জানা। গাজীপুরবাসীর দাবি পূরণে এবং মানুষের স্বাস্থ্যসেবার চাহিদা মেটাতে গড়ে তোলা এ হাসপাতাল ও কলেজটি দুর্নীতিবাজ মাফিয়া ঠিকাদার সিন্ডিকেটের আখড়ায় পরিণত হয়েছে। 
জানা গেছে, তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের দুর্নীতির সিন্ডিকেটের মূলহোতা বা নাটেরগুরু হচ্ছেন হাসপাতালের স্টোরকিপার নাজিমউদ্দিন। হাসপাতালের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের পরিবর্তন হলেও স্টোরকিপার নাজিমউদ্দিন দীর্ঘকাল এখানে বহাল-তবিয়তেই আছেন। মূলত তিনিই সবকিছুর কলকাঠি নেড়ে থাকেন। স্বাস্থ্য অধিদফতরে বহুল আলোচিত কর্মচারী আফজাল যেমন ক্ষমতাবান ছিলেন, তেমনি শহীদ তাজউদ্দিন মেডিকেল কলেজে স্টোরকিপার নাজিমউদ্দিন অগাধ ক্ষমতার অধিকারী। তিনিই সবদিক ম্যানেজ করেন। তিনিই নির্ধারণ করেন, কোন্ ঠিকাদার কোন্ কাজটি পাবেন। টেন্ডার বা দরপত্র আহ্বান, মূল্যায়ন- এগুলো হলো আইওয়াস এবং আনুষ্ঠানিকতামাত্র। কেনাকাটায় টেন্ডারের স্পেশিফিকেশন নির্ধারণ করেন স্টোরকিপার নাজিমউদ্দিনই। যে ঠিকাদারকে তিনি কার্যাদেশ দেবেন সেই ঠিকাদারের ইচ্ছানুযায়ীই টেন্ডার স্পেশিফিকেশনে কারসাজি করেন নাজিমউদ্দিন। যাতে অন্য আগ্রহী দরদাতারা টেন্ডারে অংশ নিতে না পারে। তাছাড়া বাজার দর যাচাই কমিটির রিপোর্টও তৈরি করেন নাজিমউদ্দিন তার পছন্দের ঠিকাদারের ইচ্ছা অনুযায়ী। এমন কারসাজি করে প্রত্যেকটি আইটেমের দর প্রকৃত বাজার দরের চেয়ে কয়েক গুণ, এমনকি ৮/১০ গুণ পর্যন্ত বাড়িয়ে নির্ধারণ করেন। বিগত বছরগুলোতে এভাবেই দুর্নীতি-লুটপাটের মহোৎসব চলেছে শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদের নামে প্রতিষ্ঠিত এ হাসপাতালটিতে। এবং এখনো একই প্রক্রিয়ায় লুটপাট অব্যাহত রয়েছে।
জানা গেছে, হাসপাতালটিকে মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে রূপান্তরিত করার প্রক্রিয়া শুরু হলে এর প্রকল্প পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয় অধ্যাপক ডা. সুভাষ চন্দ্র সাহাকে। এরপর প্রকল্প পরিচালক হিসেবে আসেন অধ্যাপক ডা. মো. আসাদ হোসেন। বর্তমানে আসাদ হোসেনই প্রকল্প পরিচালকের পাশাপাশি মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ পদে আছেন। তবে ২০১৬-১৭ অর্থবছর থেকে হাসপাতাল পরিচালনায় আলাদা কর্তৃপক্ষ নির্ধারণ করা হয়েছে। সেই থেকে হাসপাতালটির পরিচালকই এটির সকল দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন। বর্তমানে হাসপাতাল সংক্রান্ত সব সরকারি বরাদ্দই ব্যয় হচ্ছে পরিচালকের মাধ্যমে। স্টোরকিপার নাজিমউদ্দিনও তাই সুযোগ বুঝে হাসপাতালে পদায়ন নিয়েছেন। প্রতিবছর হাসপাতালে যন্ত্রপাতি, এমএসআরসহ বিভিন্ন কেনাকাটায় বড় অংকের অর্থ বরাদ্দ থাকে। এই অর্থের বেশিরভাগই ভাগবাটোয়ারা হয়।
আওয়ামী লীগ সরকার তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর দুর্নীতি নির্মূলকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও সম্প্রতি দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’র কথা একাধিকবার জোর দিয়ে বলেছেন। কিন্তু এই সময়েও গাজীপুরস্থ শহীদ তাজউদ্দিন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালকেন্দ্রীক দুর্নীতিবাজ মাফিয়া সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম কমেনি। এবং এতে মন্ত্রণালয়ের কারো কারো প্রচ্ছন্ন প্রশ্রয় রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
জানা গেছে, সর্বশেষ গত মে মাসে এ হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজের সাড়ে ২১ কোটি টাকার যন্ত্রপাতি কেনার জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়। ভারী যন্ত্রপাতি কেনার কথা বলে অর্থবছরের একেবারে শেষমুহূর্তে এ অর্থ বরাদ্দ নেয়া হয়। তবে অভিযোগ উঠেছে, এই দরপত্রের বিষয়টি ছিল পুরোপুরি সাজানো নাটক। সবাই জানতেন কারা এ কাজ পাবেন! ২৬ মে ছিল দরপত্র জমা দেয়ার শেষদিন। এই টেন্ডারে যাতে দুর্নীতিবাজ সিন্ডিকেটের পছন্দের বাইরে কেউ অংশ নিতে না পারে সেজন্য নানা কারসাজির আশ্রয় নেয়া হয়। স্টোরকিপার নাজিমউদ্দিনই এসব কারসাজি করেন। আফতাব আহমেদ ও সাজ্জাদ মুন্সী নামে দু’জন ঠিকাদারকে কাজ দেয়া হবে, এটা আগেই নিশ্চিত হওয়ার পর সাধারণ সরবরাহকারী বা ঠিকাদাররা দরপত্রের ব্যাপারে কোন আগ্রহ দেখাননি। যেসব যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা হবে তার বাজারমূল্য যাচাইয়ের গোপনীয় তথ্য আগেই ওই দুই ব্যক্তিকে সরবরাহ করা হয়। ফলে তারা কাজ পাবেন এটা ছিল নিশ্চিত, দরপত্র ডাকা ছিল ’আইওয়াশ’ মাত্র। সবচে’ বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে এই দরপত্রের বিপরীতে কাজ দেয়া হয় জুনের মাঝামাঝি কিন্তু বলা হয়, দরপত্রে উল্লেখিত যন্ত্রপাতি ৩০ জুনের মধ্যে সরবরাহ করতে হবে। জানা গেছে, এ দফায় যেসব যন্ত্রপাতি সরবরাহের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়েছিল তার সবই আমদানি করতে হবে যুক্তরাষ্ট্র অথবা ইউরোপের দেশ থেকে। ইসিজি মেশিন, সিটিজি মেশিন, এ-বি স্ক্যান মেশিন, এক্স-রে মেশিন প্রভৃতি কেনা হবে। এসব মেশিনের প্রত্যেকটিরই ‘কান্ট্রি অব অরিজিন’ নির্ধারণ করা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র বা ইউরোপ। প্রশ্ন হলো, মাত্র ১৫ দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র বা ইউরোপের থেকে এলসি খুলে মেডিকেল যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা বাস্তবে কতটা সম্ভব?
হাসপাতালের পরিচালক হিসেবে এ বছরের জানুয়ারিতে যোগ দেন ডা. মো. আমীর হোসাইন রাহাত। হাসপাতালটির দুর্নীতি নিয়ে মানুষের মনে প্রশ্ন আর সন্দেহের শেষ নেই কিন্তু তার কোন জবাব মেলে না। মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের বিগত সময়ের কেনাকাটার ব্যাপারে শীর্ষ কাগজের পক্ষ থেকে হাসপাতালের পরিচালক ডা. রাহাতের কাছে তথ্য অধিকার আইন অনুযায়ী তথ্য চাওয়া হলেও তিনি তা দেননি। তিনি এবং তার অধীন কর্মকর্তারা স্বাস্থ্য সচিবের অনুমতির দোহাই দিয়ে তথ্য দিতে অনীহা প্রকাশ করছেন। একই সময়ে কলেজটির অধ্যক্ষ ও প্রকল্প পরিচালক ডা. মো. আসাদ হোসেনের কাছেও তথ্য অধিকার আইন অনুযায়ী কলেজ ও প্রকল্পের কেনাকাটার ব্যাপারে তথ্য চাওয়া হয়েছিল। তিনিও স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিবের অনুমতির দোহাই দিয়ে তথ্য দিতে অনীহা প্রকাশ করছেন। তিনি তথ্য দেয়ার অনুমতি চেয়ে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিবের কাছে চিঠি দিয়েছেন। সেই চিঠির একটি কপিও শীর্ষকাগজ সম্পাদকের কাছে পাঠিয়েছেন। তবে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলামের কাছে তথ্য অধিকার আইন অনুযায়ী শীর্ষকাগজ সম্পাদকের পক্ষ থেকে এই দু’জনের ব্যাপারেই আলাদাভাবে আপিল করা হয়েছে। তারপরও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে সচিব আসাদুল ইসলামের সঙ্গে ফোনেও একাধিকবার যোগাযোগ করা হয়েছে। ফোনে যোগাযোগ করা হলে সচিব আসাদুল ইসলাম শীর্ষকাগজ সম্পাদককে গত ২৫ জুন জানান, তিনি তথ্য দেয়ার ব্যাপারে লিখিত অনুমতি দিয়েছেন। কিন্তু, ২ জুলাই, ২০১৯ হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. তপন কান্তি সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, সচিবের পক্ষ থেকে এ ধরনের কোনো চিঠি বা অনুমতি তারা পাননি। সর্বশেষ গত ৪ জুলাই অধ্যক্ষ ও প্রকল্প পরিচালক ডা. আসাদ হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনিও জানান, এ ধরনের অনুমতিপত্র পাননি। 
প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, ক্রয়ের ক্ষেত্রে যে ব্যাপক অনিয়ম আর ঘাপলা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে তার দায় কে নেবে? এ ব্যপারে তথ্য না দেয়ার পেছনেই বা কী কারণ থাকতে পারে? সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, থলের বেড়াল বেরিয়ে আসবে বলেই তথ্য দিতে অনীহা প্রকাশ করা হচ্ছে। সচিব আসাদুল ইসলাম নিজেকে সৎ কর্মকর্তা বলে দাবি করে থাকেন। কিন্তু, তিনি যে তথ্য প্রদানে বাধা দিচ্ছেন সেটি একেবারেই স্পষ্ট। কারণ, ইতিপূর্বে হাসপাতালটির একজন কর্মকর্তা শীর্ষ কাগজ সম্পাদককে জানিয়েছে যে, তাদেরকে সচিব তথ্য দিতে নিষেধ করেছেন। ঠিকাদার আফতাব আহমেদ নিজেকে সচিব আসাদুল ইসলামের বন্ধু বলে দাবি করে থাকেন। এ বিষয়ে আসাদুল ইসলামকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে একত্রে পড়াশোনা করেছি, তা অস্বীকার করি কীভাবে?
মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের স্টোর কিপার নাজিমউদ্দিন ঠিকাদার আফতাব আহমেদ ও সাজ্জাদ মুন্সীর ডানহাত হিসেবে পরিচিত। নাজিমউদ্দিনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ বহু পুরনো। তিনি ২০০৮ সালে গাজীপুর সিভিল সার্জন কার্যালয়ে স্টোরকিপার হিসেবে যোগদানের পর থেকেই দুর্নীতির মাধ্যমে নিজের আখের গোছাতে শুরু করেন। এর আগে নীলফামারী সিভিল সার্জন কার্যালয়ের স্টোর কিপারের দায়িত্বে থাকাকালে সরকারি ওষুধ কালোবাজারে বিক্রি করে বিভিন্ন সময় বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নিয়েছিলেন। 
ইতিপূর্বে টঙ্গী হাসপাতালের ২২ কোটি টাকার টেন্ডারে ঘাপলা করে তিনি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে সরকারের ১৫ কোটি টাকা লোপাট করেছেন বলে অভিযোগ আছে। অনেক ঠিকাদারের তিনি গোপন ব্যবসায়িক অংশীদারও। এমনও অভিযোগ আছে নিজের স্ত্রী ও মেয়ের নামে টেন্ডার দাখিল করে তিনি অনেক কাজ নিজেই করেছেন।
দুর্নীতির টাকা দিয়ে তিনি টাঙ্গাইলের গ্রামের বাড়িতে ও টাঙ্গাইল শহরে বাড়িসহ বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি ক্রয় করেছেন, বাড়ি নির্মাণ করেছেন। তিনি ও তার স্ত্রী চলাফেরা করেন নিজস্ব গাড়িতে। 
নাজিমউদ্দিনের দুর্নীতি নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনেও অভিযোগ আছে। দেশের যে খাতের দুর্নীতি সবসময়ই মানুষের মুখে মুখে থাকে তার একটি হচ্ছে স্বাস্থ্যসেবা খাত। নাজিমউদ্দিনের মতো একজন স্টোরকিপার একটি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের কোটি কোটি টাকার কাজ নিয়ে দুর্নীতি করছেন, দুর্নীতির ব্যাপারে তার সাগরেদে পরিণত হয়েছেন হাসপাতালের ঊর্ধ্বতন কিছু কর্মকর্তা। আর এ কারণেই হাসপাতালটি চরম দুর্দশায় পড়েছে বর্তমানে। রোগীরা প্রয়োজনীয় সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
এই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে অভিযান না চালালে তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের প্রকৃত উন্নয়ন কখনোই হবে না তারাও প্রকৃত স্বাস্থ্যসেবা পাবেন না এমনটাই ধারণা গাজীপুরবাসীর।
(সাপ্তাহিক শীর্ষকাগজে ৮ জুলাই ২০১৯ প্রকাশিত)