সোমবার, ২৩-সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১১:৩৩ পূর্বাহ্ন
  • এক্সক্লুসিভ
  • »
  • পিডিবিতে নিয়োগ কেলেংকারি: চাকরি প্রার্থীদের সাথে প্রতারণা করে কোটি কোটি টাকার বাণিজ্য

পিডিবিতে নিয়োগ কেলেংকারি: চাকরি প্রার্থীদের সাথে প্রতারণা করে কোটি কোটি টাকার বাণিজ্য

shershanews24.com

প্রকাশ : ১৫ আগস্ট, ২০১৯ ০৪:২২ অপরাহ্ন

সাপ্তাহিক শীর্ষকাগজের সৌজন্যে: বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড-পিডিবিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে অভিনব কায়দায় জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগ পাওয়া গেছে। চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে হাতিয়ে নেয়া হয়েছে কোটি কোটি টাকা। নিয়োগ পাওয়ার আগে চাকরিপ্রার্থীদের কেউই তাদের সাথে যে প্রতারণা করে নিয়োগ বাণিজ্য করা হচ্ছে তা ঘূর্ণাক্ষরেও বুঝতে পারেন না। আর এই নিয়োগের পেছনে কাজ করছে পিডিবির শীর্ষস্থানীয় একজন কর্মকর্তার নেতৃত্বে গড়ে উঠা একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট।
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড-পিডিবি প্রতি বছরই কারিগরি ও অকারিগরি বিভিন্ন পদে কয়েক শ’ নিয়োগ হয়। এসব নিয়োগে নির্দিষ্ট অংকের ঘুষ ও উৎকোচ দিতে হয় তা অনেকটা ওপেন সিক্রেট। যদিও ওই নিয়োগকে স্বচ্ছ বলে দাবি করে থাকে কর্তৃপক্ষ। নিয়োগ দেয়ার যাবতীয় প্রক্রিয়া আইনানুসারে করা হয়েছে বলেই দেখানো হয়। তবে তার সবই সাজানো নাটক। চাকরিপ্রার্থী ব্যক্তিটি জানেন তার ’ইন্টারভিউ’ নেয়াটা হচ্ছে আনুষ্ঠানিকতা মাত্র। 
জানা গেছে, পিডিবির নিয়োগের লিখিত পরীক্ষাগুলো নেয়া হয় ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ^বিদ্যালয় বা ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের মাধ্যমে। এরপর পিডিবির অভ্যন্তরীণ নিয়োগ কমিটি ’ভাইভা’ বা মৌখিক পরীক্ষা নেয়। অভিযোগ পাওয়া গেছে, লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পরই নিয়োগে দুর্নীতির প্রক্রিয়া শুরু হয়। বুয়েট বা ঢাবির যে বিভাগ বা প্রতিষ্ঠান লিখিত পরীক্ষা নেয় তারা ফলাফল পাঠানোর পর যেসব চাকরিপ্রার্থী লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন সেইসব ক্রমিক নম্বরধারীদের সাথে যোগাযোগ করা হয়। তাদেরকে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণের প্রলোভন এবং নিয়োগ নিশ্চিত করার কথা বলে লেনদেনের আপোষরফা করে। এভাবে আগেই উত্তীর্ণ চাকরিপ্রার্থীদের সাথে যোগাযোগ করে তাদের কাছ থেকে চুক্তিকৃত অর্থের একটি অংশ নেয়া হয়। পরীক্ষার্থীরা জানতেও পারেন না যে পরীক্ষায় মেধার বলেই টিকেছেন তারা। 
উত্তীর্ণ ব্যক্তিদের সাথে যোগাযোগ এবং লেনদেনের বিষয়টি সুরাহা হওয়ার পরই আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এতে অর্থ দিতে রাজি হওয়া ব্যক্তিরা সবাই উত্তীর্ণ হন। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ায় নিয়োগ দেয়ার ব্যাপারে পিডিবির যেসব ব্যক্তি বা দালাল চাকরিপ্রার্থীদের সাথে যোগাযোগ করেন, উত্তীর্ণ হওয়ায় তাদের ওপর আস্থা ও বিশ^াস বেড়ে যায়। তখন তারা চাকরিপ্রাপ্তি অনেকটা নিশ্চিত মনে করেই ওইসব ব্যক্তির সাথে লেনদেন করেন। এভাবে টাকা দিয়ে নিজেদের নিয়োগ নিশ্চিত করে প্রকৃত মেধাবীরাও। 
শুধু টিকে যাওয়া প্রার্থীদের সাথেই নয়, অন্যদের সাথেও যোগাযোগ করা হয়। যখন কোন প্রার্থীর সাথে যোগাযোগ করে নিয়োগ সিন্ডিকেটের লোকজন ওই প্রার্থীর নাম, পরিচয়, ঠিকানা, পরীক্ষার ক্রমিক নম্বর, কোথায় পরীক্ষা হয়েছে এসব তথ্য জানায় তখন ওই চাকরিপ্রার্থীর মনে তেমন কোন প্রশ্ন জাগে না, তাদের দৃঢ় ধারণা জন্মায় তারা এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত এবং তারা চাইলে নিয়োগ দিতে পারবেন। এতে দু’পক্ষ কোন রকম দ্বিধা-দ্বন্দ্ব ছাড়াই ঘুষ লেনদেন করে। 
নিয়োগ প্রক্রিয়ায় এমন অভিনব দুর্নীতির বিষয়টি পিডিবির, তবে এ ব্যাপারে নিয়োগপ্রাপ্তদের কিছু বলার বা করারও সুযোগ থাকে না। কেন না নিয়োগপ্রাপ্তদের বেশিরভাগই নিয়োগ পেয়ে থাকেন এ প্রক্রিয়ায়, ফলে তাদের কেউই এ বিষয় নিয়ে অন্য কারো সাথে আলোচনাও করেন না, এভাবে ঘুষের বিনিময়ে নিয়োগ দেয়ার বিষয়টি নিয়মিত বিষয় ও সাধারণ ঘটনায় পরিণত হয়েছে।
পিডিবির নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ নিয়ে এমন প্রতারণাই শুধু নয়, এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে কারচুপির মাধ্যমে ফলাফল পাল্টে দেয়ারও অভিযোগ এসেছে পিডিবির বিরুদ্ধে। পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, বুয়েট বা ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়, যার অধীনে লিখিত পরীক্ষা নেয়া হয় সেই কমিটিকে ম্যানেজ করে পরীক্ষার খাতা বা ফলাফল পাল্টে দেয়া হয়। আর এভাবে অযোগ্য প্রার্থীরাও পিডিবিতে নিয়োগ পাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে সবচেয়ে বড় অভিযোগ হলো, প্রতারণার মাধ্যমে যোগ্য প্রার্থীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়। লিখিত পরীক্ষার ফলাফল এলে তা প্রকাশ না করে দীর্ঘদিন গোপন রেখে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের এ অভিযোগ পিডিবিতে ব্যাপক বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
অভিনব প্রতারণা এবং এরকমের জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে পিডিবিতে নিয়োগ দেয়ার ব্যাপারে একাধিক অভিযোগ এসেছে শীর্ষ কাগজের কাছে। এইসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে পিডিবিতে নিয়োগ সংক্রান্ত কিছু সুনির্দিষ্ট তথ্য চাওয়া হয়েছিল। তথ্য অধিকার আইনে এসব তথ্য চাওয়া হলেও পিডিবি কর্তৃপক্ষ গোপনীয়সহ নানা কারণ দেখিয়ে সে সব তথ্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করে। কর্তৃপক্ষ শুধুমাত্র বিভিন্ন সময়ে নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তিদের একটি তালিকা শীর্ষ কাগজকে সরবরাহ করেছে। অথচ শীর্ষ কাগজ চেয়েছিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের ফলাফল সিট এবং নির্ধারিত সময়ে যেসব লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা হয়েছে সেসব পরীক্ষা ও পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নকারী কমিটির সদস্যদের নাম।
পিডিবি ফলাফল দেয়া হলে তাতে গোপনীয়তা ভঙ্গ হবে এবং যারা কম নম্বর পেয়েছেন তাদের সম্মানহানি হবে বলে মত দিয়ে এসব তথ্য দেয়া থেকে বিরত থাকে। অথচ যে কোন প্রতিষ্ঠানে যে কোন পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া কোন গোপন বিষয় নয়। সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দিয়ে, পরীক্ষার মাধ্যমে এবং নিয়োগ কমিটি করে নিয়োগের কাজ সম্পন্ন করা হয়। ফলাফলও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়। এতে অনেকে উত্তীর্ণ হন অনেকে হন না, যারা উত্তীর্ণ হন না বিষয়টা তাদের কাছে কষ্টদায়ক হলেও তা প্রকাশে তাদের সম্মানহানির আশংকা থাকলে তো কেউ পরীক্ষার ফলই প্রকাশ করতো না বা কেউ চাকরির জন্য পরীক্ষাই দিতো না। 
প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত ও নথি না পেয়ে শীর্ষ কাগজের পক্ষ থেকে ওইসব তথ্যের জন্য নিয়মানুযায়ী আপিল করে। পিডিবি শীর্ষ কাগজকে দেয়া এক ব্যাখ্যায় উল্লেখ করেছে, “লিখিত পরীক্ষার জন্য বুয়েট, ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় ও ঢাকা পলিটেকনিককে দায়িত্ব দেয়া হয়। উক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের ব্যবস্থাপনায় ওইসব লিখিত পরীক্ষা গ্রহণ করেছে, তবে এই নিয়োগ পরীক্ষার জন্য ওইসব প্রতিষ্ঠান কোন কমিটি করেছে কি না তা বিউবো’র জানা নাই।” বিউবোর ব্যাখ্যায়  বলা হয়েছে, ‘যেহেতু লিখিত পরীক্ষা দেশের খ্যাতিমান শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় গ্রহণ করিয়াছে এবং লিখিত পরীক্ষা কমিটি সম্পর্কে বিউবোর কাছে কোন তথ্য নাই সেহেতু তথ্য প্রদানও সম্ভব নয়’। 
বিউবোর এই ব্যাখ্যা গ্রহণযোগ্য নয়, কেন না যে কোন পরীক্ষার ব্যবস্থাপনা ও গ্রহণের জন্যই একটি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির আহ্বায়ক থাকেন, সদস্য থাকেন, সদস্য সচিব থাকেন। পরীক্ষা গ্রহণ ও খাতা মূল্যায়ণের পর যে ফলাফল চূড়ান্ত হিসেবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে পাঠানো হয় তাতে পরীক্ষার সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নাম, স্বাক্ষর এসব থাকে বা থাকার কথা। এইসব নিয়োগ পরীক্ষার জন্য পরীক্ষাগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান বা বিভাগের পক্ষ থেকে নিয়োগ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করে থাকে তাই কারা পরীক্ষা নিয়েছেন বা এজন্য কোন কমিটি করা হয়েছে কি না তা জানা নেই এটা বলা অগ্রহণযোগ্য ও হাস্যকর।
তথ্য অধিকার আইন অনুযায়ী পিডিবির কাছে তথ্য চাওয়া হয়েছিল লিখিত এবং মৌখিক উভয় পরীক্ষার।
পর্যন্ত প্রত্যেকটি পরীক্ষার লিখিত এবং মৌখিক উভয় পরীক্ষার কামিটির সদস্যদের নাম এবং কমিটি কর্তৃক স্বাক্ষরিত ফলাফল সীট চাওয়া হয়েছিল পিডিবির কাছে। ফলাফল সীট তো সরবরাহ করেনি, এমনকি মৌখিক পরীক্ষা কমিটির সদস্যদের নাম জানালেও লিখিত পরীক্ষা কমিটির সদস্যদের নাম জানায়নি। শুধু তাই নয়, কোন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কোন পরীক্ষাটি নেয়া হয়েছে সে সম্পর্কেও কোনো তথ্য জানায়নি। এতে পিডিবির বিরুদ্ধে নিয়োগ নিয়ে দুর্নীতি, জাল-জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগের সত্যতাই প্রমাণিত হয়।
ভূক্তভোগীদের অভিযোগ, পিডিবিতে এর সদস্য (প্রশাসন) জহুরুল হকের নেতৃত্বে একটি সিন্ডিকেট সরকারের এ সংস্থার সব ধরণের নিয়োগকে নিয়ন্ত্রণ করে ভয়াবহ বাণিজ্য করছে। কোন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয়ার পরই এই সিন্ডিকেট সক্রিয় হয়। পরীক্ষা গ্রহণ, ফলাফল প্রকাশ থেকে শুরু করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত চলে তাদের তৎপরতা। লিখিত পরীক্ষা গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিরা পিডিবির বাইরের হলেও মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ করেন পিডিবির কর্মকর্তারাই। অনের্কেই অভিযোগ, মৌখিক পরীক্ষাটা আইওয়াস মাত্র। ভাইভা কমিটির কেউ কেউ নিয়োগ দুর্নীতির সাথে সরাসরি জড়িত এবং তারা নিজেরা তাদের পাওনা বুঝে পেয়েই নিয়োগের ক্ষেত্রে নামকাওয়াস্তে তাদের দায়িত্ব সারেন মাত্র। অনেক ক্ষেত্রে তাদের ভূমিকা সাক্ষী-গোপাল ছাড়া আর কিছু নয়।
গত ২ বছরে পিডিবি এবং এর অধীনস্থ ও আওতাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নানা পদে যেসব নিয়োগ দেয়া হয় তার মধ্যে আছে সহকারী প্রকৌশলী, সহকারী পরিচালক (প্রশাসন), সহকারী পরিচালক (নিরাপত্তা ও অনুসন্ধান), উপ সহকারী প্রকৌশলী, উচ্চমান সহকারী। এসব নিয়োগে প্রায় সবক্ষেত্রেই নিয়োগ বাণিজ্য ও জালিয়াতি হয়েছে বলে অভিযোগ আছে।
দুর্নীতির এই অভিনব জালিয়াতির কারণে নিয়োগের ক্ষেত্রে অনেক সময় অস্বাভাবিক দেরি হয়। জানা গেছে, বিপিডিবির সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে ১১১টি পদে নিয়োগের বিষয়টি ছয় বছর পর্যন্ত ঝুলেছিল। অনেকে বলেন, ঝুলে ছিল না, ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল। নিয়োগপ্রার্থীদের সামনে নিয়োগের মূলা ঝুলিয়ে লেনদেন করার কাজ শেষ করতে নিয়োগ প্রক্রিয়ার প্রতিটি স্তরেই অনেক বেশি সময় লেগেছে।
বিদ্যুতায়নের মাধ্যমে দেশকে আলোকিত করা ও অন্ধকার দূর করার পবিত্র দায়িত্বে নিয়োজিত প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড-পিডিবি, কিন্তু এখানে নিয়োগ নিয়ে যে ধরণের আর যে উপায়ে জালিয়াতি আর দুর্নীতি হয় তাতে এই প্রতিষ্ঠানটির অন্ধকার দিকটিই ষ্পষ্ট হয়, তবে দুর্ভাগ্যের বিষয় হচ্ছে এই দুর্নীতির খবরের খুব কমই জানতে পারে সাধারণ মানুষ। কেন না, এখানে নিয়োগ দানকারী আর নিয়োগপ্রাপ্ত সবাই নিয়োগের বিষয়টি আড়ালে-আবডালেই সারতে চান। নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তিদের সবাই চান, যে কোনভাবেই হোক তাদের চাকরিটা যেন হয় আর চাকরি দেয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদের চোখ থাকে চাকরিপ্রার্থীদের পকেটের দিকে। পিডিবির নিয়োগে এই অভিনব জালিয়াতির বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত বা অনুসন্ধান করলে এ জালিয়াতির আরো ভয়াবহ চিত্র বেরিয়ে আসবে এমনটাই মনে করেন ভূক্তভোগী ও সংশ্লিষ্টরা।
(সাপ্তাহিক শীর্ষকাগজে ২৯ জুলাই ২০১৯ প্রকাশিত)