রবিবার, ২০-অক্টোবর ২০১৯, ০৬:২৯ অপরাহ্ন
  • এক্সক্লুসিভ
  • »
  • প্রাথমিক শিক্ষায় ৩৩৮ কোটি টাকার ল্যাপটপ-মাল্টিমিডিয়া ক্রয়ে সিন্ডিকেট

প্রাথমিক শিক্ষায় ৩৩৮ কোটি টাকার ল্যাপটপ-মাল্টিমিডিয়া ক্রয়ে সিন্ডিকেট

shershanews24.com

প্রকাশ : ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০৯:৫৮ অপরাহ্ন

সাপ্তাহিক শীর্ষকাগজের সৌজন্যে: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৩৩৮ কোটি টাকার ল্যাপটপ, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ও সাউন্ড সিস্টেম ক্রয়কে কেন্দ্র করে মাঠে নেমেছে এ মন্ত্রণালয় ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের একটি মহা সিন্ডিকেট। তাদের সাথে হাত মিলিয়েছে দেশের একটি বড় শিল্প প্রতিষ্ঠান। এই সিন্ডিকেটের অপতৎপরতা সফল হলে তাতে শুধু সরকারের বিশাল অংকের অর্থই গচ্চা যাবে না একই সাথে ব্যর্থ হবে প্রাথমিক শিক্ষাকে ডিজিটাল করার একটি যুগান্তকারী উদ্যোগও। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন সূত্র এ কথা জানিয়েছে।
জানা গেছে, চতুর্থ প্রাইমারি শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্পের অধীনে ২০১৯ সালের মধ্যে ২৬ হাজার মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর, ল্যাপটপ ও সাউন্ড সিস্টেম স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। দেশের ২৬ হাজার প্রাইমারি স্কুলে ডিজিটাল পদ্ধতিতে শিক্ষাদানের লক্ষ্যে এই কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়। নিয়ম অনুযায়ী  এ কাজের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়, শিডিউল বিক্রি করা হয়, অনুষ্ঠিত হয় প্রিবিড মিটিংও। গত ২৪ মার্চ, ২০১৯ এই প্রিবিড মিটিং অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু এরপরই এই কাজ হাতিয়ে নিতে সক্রিয় হয়ে ওঠে একটি সিন্ডিকেট। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেনকে ম্যানেজ করে টেন্ডার প্রক্রিয়ার যাবতীয় কার্যক্রম থমকে দেয় তারা। ডিপিএম বা ‘ডিরেক্ট প্রকিউরমেন্ট মেথড’ অনুসরণ করে টেলিফোন শিল্প সংস্থা বা টেশিস এর মাধ্যমে এক সাথে বিশাল এ ক্রয়ের কাজটি করাতে চাচ্ছে চক্রটি। যা বাস্তবে অসম্ভব বলে মনে করেন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।
ডিরেক্ট প্রকিউরমেন্ট মেথড বা ডিপিএম-এ ক্রয়ের ক্ষেত্রে পিপিআর-এ সুনির্দিষ্ট নীতিমালা রয়েছে যা অনুসরণ করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু একটি স্বার্থান্বেষী মহল সরকারি অর্থ লুটপাটের জন্য নিজেদের স্বার্থে ডিপিএম এর ভুল ব্যাখ্যা দিচ্ছে। বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, কেবলমাত্র যে সকল প্রতিষ্ঠানের উৎপাদিত ও সংযোজিত দ্রব্যসামগ্রী রয়েছে, শুধু ওই প্রতিষ্ঠানের নিকট থেকেই ডিপিএম পদ্বতিতে ক্রয় করা যেতে পারে। এমতাবস্থায় মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর, ল্যাপটপ ও সাউন্ড সিস্টেম ইত্যাদি পণ্য বাংলাদেশে উৎপাদিত বা সংযোজিত করার কোন ব্যবস্থা না থাকা সত্ত্বেও যারা ডিপিএম পদ্বতিতে উপরোক্ত পণ্য সরবরাহ করতে চায় তাদের উদ্দেশ্য দেশের জন্য মোটেই মঙ্গলজনক  নয়।  
সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানিয়েছে, দেশের আইটি খাতে নিজেকে একজন সর্বজন শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি ও অভিভাবক হিসেবে দাবিদার একজন মন্ত্রী প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাজটি নিজ মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন। বিলুপ্ত ও প্রায় বিলুপ্ত কিছু কর্মকা- পরিচালনা করা ওই মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী চাইছেন এ কাজটি তার মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সম্পাদন হোক। যদি তা হয় তাহলে ওই মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগটি পরিণত হবে আরেক মন্ত্রণালয়ের সরবরাহকারী বা ‘সাপ্লাইয়ার’ হিসেবে।
এই টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে ইচ্ছুক একাধিক প্রতিষ্ঠানের অভিযোগ, অতীতে এ ধরণের কাজে ব্যাপক অভিজ্ঞতা রয়েছে এমন প্রতিষ্ঠানকে বাদ দিয়ে সরকারি প্রতিষ্ঠান টেলিফোন শিল্প সংস্থাকে দিয়ে এত বড় একটি কাজ করানোর পেছনে কলকাঠি নাড়ছে দেশের বড় একটি শিল্পগোষ্ঠী- ওয়াল্টন। দেশে ইলেকট্রনিকস পণ্য বিক্রির বড় বাজার থাকলেও তারা মূলতঃ আমদানি করা পণ্যই সরবরাহ ও বিক্রি করে থাকে।
সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, টেলিফোন শিল্প সংস্থা লিমিটেড এর আগে বাংলাদেশ কম্পিউটার সংস্থার আইসিটি বিভাগের আর্নিং এন্ড লার্নিং প্রজেক্ট, আগারগাঁও-এ ৫০০টির বেশি ওয়াল্টন মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর সরবরাহ করেছে যার বেশিরভাগই এখন অকেজো এবং ব্যবহারের অযোগ্য। এর আগে ২০১৩ সালে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদফতরের অধীনস্থ আইসিটি ফেইজ-১ প্রজেক্টে টেলিফোন শিল্প সংস্থা লিমিটেড কর্তৃক ১৬ হাজার ‘দোয়েল’ ব্র্যান্ডের ল্যাপটপ সরবরাহ করা হয়, যার মধ্যে ১২ হাজার ল্যাপটপই অকেজো হয়ে পড়ে রয়েছে। এই প্রকল্পকে যুতসইভাবে কাজে লাগাতে না পারাকে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে একটি বড় বাধা হিসেবে দেখা হচ্ছে। 
সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, যদি ডিপিএম পদ্ধতিতে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর, ল্যাপটপ ও সাউন্ড সিস্টেম ক্রয় করা হয়, তাহলে চীন থেকে নন-ব্র্যান্ড পণ্য এনে স্টিকার লাগিয়ে দেয়া ছাড়া আর কোন পথ থাকবে না। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হবে দেশ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পাবে নিম্নমানের পণ্য, বিক্রয়োত্তর সার্ভিস সেবা পাবে না ব্যবহারকারীরা। অন্যদিকে লাভবান হবে দু-একটি প্রতিষ্ঠান এবং কতিপয় অসাধু ব্যক্তি। তারা বলেন, একটি প্রতিষ্ঠানের ডিজিটালকরণের ক্ষেত্রে আরেক মন্ত্রণালয়ের এমন ভূমিকাকে স্বাভাবিকভাবে নিচ্ছে না প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং অধিদফতরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। 
মন্ত্রণালয় ও অধিদফতরের একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে শীর্ষ কাগজের এ প্রতিবেদকের আলাপকালে তারা এ ধরনের উদ্যোগের ঘোর বিরোধিতা করেন। এ ব্যাপারে চরম হতাশাও ব্যক্ত করছেন এই কর্মকর্তারা। যেহেতু সচিবসহ উচ্চ পর্যায়ের ব্যক্তিরা এমন বিতর্কিত কর্মকা-ের সঙ্গে জড়িত তাই তারা প্রকাশ্যে কিছুই বলার সাহস পাচ্ছেন না। কিন্তু এ ব্যাপারে চরম ক্ষোভ ও হতাশা ব্যক্ত করে বলেছেন, সরকারি অর্থ লুটপাটের জন্যই এমন বিতর্কিত ও অবৈধ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। চীন থেকে আমদানি করা নি¤œমানের পণ্যে শুধুমাত্র টেশিসের লেবেল লাগিয়ে অতি উচ্চমূল্যে সরবরাহ করা হবে। এতে সরকারি এই বিপুল পরিমাণ অর্থ জলে যাবে, অন্যদিকে সরকারের ডিজিটাল শিক্ষা পদ্ধতির কর্মসূচিও ভেস্তে যাবে। তারা বলেন, এই চক্রান্তের সঙ্গে প্রভাবশালী ব্যক্তিরা জড়িত।
আইটি খাতের অভিজ্ঞ ব্যবসায়ীরা বলেছেন, ডিরেক্ট প্রকিউর মেথড-এ এই প্রকল্পের জন্য মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর, ল্যাপটপ ও সাউন্ড সিস্টেম ক্রয় করা হলে তা পণ্য ক্রয়ের ক্ষেত্রে যেমন কোন প্রতিযোগিতা তৈরি করবে না আবার একটি প্রতিষ্ঠানকেই তা পূর্ণ লাভবান করার সুযোগ করে দেবে। এ ব্যাপারে এরই মধ্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে লিখিতভাবে অভিযোগও করা হয়েছে। তারা এত বড় ক্রয়ের কাজ কোনরকম প্রতিযোগিতা ছাড়াই একটি প্রতিষ্ঠানকে দেয়া হলে তা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কতটা আর্থিক ক্ষতি করবে এটি তুলে ধরেছে, পাশাপাশি আইটি খাতে এর নেতিবাচক প্রভাবের কথাও তুলে ধরেছে ওই প্রতিষ্ঠানটি। 
তবে জানা গেছে, টেশিস এর মাধ্যমেই যাতে ক্রয় করা হয় সে জন্য প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রীকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন। প্রতিমন্ত্রী প্রতিযোগিতামূলক ও উন্মুক্ত দরপদ্ধতিতে এই প্রকল্পের যাবতীয় উপকরণ ক্রয় করতে চাইলেও সচিব নানাভাবে তাকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেন। অবশেষে প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন এ ধরণের ক্রয়ের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য একটি কমিটি করে দেন। টেলিফোন শিল্প সংস্থা এ ধরণের পণ্য সরবরাহ করতে সক্ষম কি না তা এ কমিটি যাচাই করে দেখবে। কিন্তু অতিরিক্তি সচিব (উন্নয়ন) এর নেতৃত্বে গঠিত সেই কমিটি বিষয়টি ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ না করে অনেকটা দায়সারা গোছের বিতর্কিত এক প্রতিবেদন দাখিল করে। টেশিস মালামাল সরবরাহে সক্ষম কিনা, এ ব্যাপারে মতামত চাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয় কমিটির প্রতিবেদনে। আর এভাবেই দুর্নীতিকে জায়েজ করার প্রক্রিয়া চলে। 
সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, পূর্ব নির্ধারিত ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে টেশিস বলেছে তারা এ মালামালগুলো সরবরাহ করতে সক্ষম। কিন্তু কীভাবে তারা এই ২৬ হাজার ল্যাপটপ, ২৬ হাজার মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ও ২৬ হাজার সাউন্ড সিস্টেম সরবরাহ করবে; নিজেরা তৈরি করবে নাকি বাইরে থেকে ক্রয় করে এনে দেবে, নিজেরা তৈরি করতে আদৌ তারা সক্ষম কিনা- এ ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা তারা দেয়নি। তারপরও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিবের অতি উৎসাহে বিতর্কিতভাবে টেশিসকে এই সরবরাহ কাজটি দেয়ার তোড়জোড় চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। 
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়  এবং অধিদফতরের কর্মকর্তাদের অনেকেরই মতে, সরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ক্রয় করলে তাহলে তো এ মন্ত্রণালয় সরাসরিই করতে পারে। বিশেষ করে টেশিসকে এ কাজ দেয়ার ব্যাপারে তাদের অনাগ্রহ আরো বেশি। এর আগে টেলিফোন শিল্প সংস্থা লিমিটেড আইসিটি বিভাগের আর্নিং এন্ড লার্নিং প্রজেক্টে যেসব মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর সরবরাহ করেছে তার সবই ওয়াল্টনের সংযোজন করা। এর বেশিরভাগই অকেজো এবং ব্যবহারের অযোগ্য। তার আগে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনস্থ আইসিটি ফেইজ-১ প্রজেক্টে টেশিস ১৬ হাজার দোয়েল ব্র্যান্ডের ল্যাপটপ সরবরাহ করে এর ১২ হাজারই অকেজো। এমন একটি ব্যর্থ প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ আইসিটি যন্ত্রপাতি কিনতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অনীহা থাকলেও সচিবের ইচ্ছার কাছে তারা অনেকটা অসহায় বলে জানিয়েছেন একজন শীর্ষ কর্মকর্তা। 
আইটি খাতের বিশেষজ্ঞ ও ব্যবসায়ীরা বলেছেন, বাংলাদেশে তথ্য প্রযুক্তি উদীয়মান ও ক্রমবিকাশমান একটি শিল্প। বেসরকারি নানা প্রতিষ্ঠানই এ খাতের বিকাশে অগ্রণী ভূমিকা রাখছে। এ শিল্পে কাজ করছে ১০ লাখ মানুষ, যাদের বেশিরভাগই উচ্চশিক্ষিত। বেসরকারি খাতের প্রতি সরকারের অকুন্ঠ সমর্থন রয়েছে, তবে যদি আর্থিক ক্ষেত্রে তাদের প্রতিযোগিতায় নামার সুযোগ না দেয়া হয় তাহলে এ প্রতিষ্ঠানগুলো কখনোই আর্থিকভাবে সবল হবে না। গত মার্চ মাসে যারা প্রাথমিকভাবে টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করেছিলেন এমন একাধিক প্রতিষ্ঠিত আইটি পণ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপকালে তারাও এমন মতামত ব্যক্ত করেছেন। 
আইটি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শুধু তথ্য প্রযুক্তির অগ্রগতির জন্যই নয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় যে প্রকল্প নিয়েছে তার সুফলভোগী হবে দেশের শিশুরা। আধুনিক প্রযুক্তি ও সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত ক্লাসরুম পেলে তারা যেমন প্রযুক্তির ক্ষেত্রে এগিয়ে যাবে তেমনি তা শিক্ষার প্রতিও তাদের মনোযোগী করে তুলবে। কোন স্বার্থান্বেষী মহলের চাপের কাছে মাথা নত করে এই বিশাল কর্মযজ্ঞ যদি একটি প্রতিষ্ঠানের হাতে দেয়া হয় তাহলে এ প্রকল্প আলোর মুখই দেখবে না বলেই আশংকা তাদের।
(সাপ্তাহিক শীর্ষকাগজে ২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ প্রকাশিত)