রবিবার, ২০-অক্টোবর ২০১৯, ০৭:০৯ অপরাহ্ন

হঠাৎ কেন এ অভিযান? কতদূর এগুবে?

shershanews24.com

প্রকাশ : ০৩ অক্টোবর, ২০১৯ ০৫:৪৫ অপরাহ্ন

সাপ্তাহিক শীর্ষকাগজের সৌজন্যে: চাঁদাবাজি, মাদক, জুয়া ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে চলমান অভিযান শুরুর পর থেকেই মানুষের মুখে মুখে নানা প্রশ্ন আসছে ঘুরেফিরে, আর তা হচ্ছে হঠাৎ করে এমন অভিযান কেন শুরু করলো সরকার? একই সাথে তাদের আরো প্রশ্ন- কতদিন চলবে এ অভিযান? আদৌ রাঘব-বোয়ালরা ধরা পড়বে কি? শেষ পর্যন্ত ‘আইওয়াশ’ হবে না তো? আর এর ফলাফল কী দাঁড়াতে পারে? বা কী প্রভাব পড়তে পারে? এসব প্রশ্নও আছে সর্বত্র। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নীতি নির্ধারক, মন্ত্রী, সাবেক মন্ত্রীসহ কেন্দ্রীয় নেতারা এ অভিযান চালানোর ব্যাপারে নানা কারণের কথা উল্লেখ করছেন। তবে তাদের সবার কথার শেষকথা হচ্ছে মূলতঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ইচ্ছার কারণেই চলছে এ অভিযান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কেন এমন একটি সিদ্ধান্ত নিলেন তার সপক্ষেও নানা যুক্তি ও উদাহরণ তুলে ধরছেন তারা। 
কার্পেটের নিচের ময়লা সাফ করা হচ্ছে!
সরকারের চলমান এ অভিযান শুরু হয় ছাত্রলীগের শীর্ষ দুই নেতার চাঁদাবাজি কেলেংকারিকে কেন্দ্র করে। গত ৭ সেপ্টেম্বর গণভবনে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের এক বৈঠকে অনেকটা অপ্রাসঙ্গিকভাবেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হঠাৎ ছাত্রলীগের কর্মকান্ড নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি অত্যন্ত ক্ষুব্ধ হন এবং ছাত্রলীগের কমিটি ভেঙে দেয়ার নির্দেশ দেন। বৈঠকটি চলছিল রংপুর-৩ আসনের উপনির্বাচনে মনোনয়ন প্রসঙ্গে। তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি বোঝা না গেলেও পরবর্তীতে গণমাধ্যমে এই মর্মে খবর প্রকাশিত হয় যে, গোয়েন্দা রিপোর্টের ভিত্তিতেই প্রধানমন্ত্রী এমন কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সেই গোয়েন্দা রিপোর্টে কী ছিল তা বলা হয়নি। তবে পরবর্তীতে তাদের বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন কর্মকান্ডে চাঁদা দাবির অভিযোগ তোলা হয়। এর জের ধরে পরপরই ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন এবং সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীকে অপসারণ করা হয়। তবে শুধু এ কারণে তাদেরকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে এমনটা বিশ^াস করেন না অনেক রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক। তারা বলেছেন, ছাত্রলীগের নেতাদের বিরুদ্ধে বিশ^বিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উন্নয়ন কর্মকা-ে চাঁদা চাওয়া বা কমিশন নেয়ার অভিযোগ বিভিন্ন সময়ে উঠেছে, ছাত্রলীগের আগের কমিটির সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলমের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট দুর্নীতির অভিযোগ ছিল, তাকে দলের বিভিন্ন পর্যায় থেকে বিভিন্ন সময় সতর্ক করা হলেও পদ থেকে সরিয়ে দেয়া হয়নি। তাছাড়া ছাত্রলীগ নেতারা ছাত্রত্ব অবস্থায়ই প্রায় প্রত্যেকে কোটি কোটি টাকা, গাড়ি-বাড়ির মালিক হচ্ছেন কীভাবে তা কারো অজানা নয়।
গত ১৯ সেপ্টেম্বর ছাত্রলীগের নতুন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য্যরে নেতৃত্বে সংগঠনের নেতারা গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করতে যান। ওই অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা বলেন, ছাত্রলীগের পর যুবলীগ ধরবেন। অপরাধ, অনাচার রোধে যা যা করার তা করা হবে। যাকে যাকে ধরা দরকার, তাদের ধরা হবে। 
জানা গেছে, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে বালিশ, টেলিভিশন, কেটলি, ঘর পরিষ্কারের যন্ত্রসহ আসবাপত্র ক্রয়ে চরম দুর্নীতি, ফরিদপুরে হাসপাতালের পর্দার দাম, মেডিকেলের বইয়ের দাম, খাগড়াছড়িতে এপিবিএন এর ঘর নির্মাণে কেনা টিনের দাম নিয়ে দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে এক ধরণের ক্ষোভ ছিল। অনেকে বলছেন, বিতর্কিত নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা ধরে রাখা বর্তমান সরকার ভাবর্মূতির সংকটে ভুগছে, এই সংকট কাটাতেই মূলতঃ দুর্নীতি আর দুর্বৃত্তায়নের বিরুদ্ধে চলমান এ অভিযান।
আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা বলেছেন, ১১ বছরের বেশি সময় ধরে ক্ষমতায় আছে আওয়ামী লীগ। এ সময়ে ক্ষমতাসীন দলের নাম ভাঙিয়েই হয়েছে দুর্নীতি, লুটপাট আর চাঁদাবাজি, তাই সরকারকে অভিযানটা নিজ ঘর থেকেই শুরু করতে হয়েছে, তারা এ ক্ষেত্রে বহুল প্রচলিত একটি উদাহরণ টেনে বলেন, কার্পেটের নিচে ময়লা রাখলে চলবে না, তাই এবার কার্পেটের নিচে থাকা ময়লা অপসারণ করা হবে। তবে সাধারণ মানুষ এ ধরণের কথায় খুব একটা ভরসা রাখতে পারছেন না, তাদের অনেকেরই প্রশ্ন লোকদেখানো অভিযানের অন্তরালে কি অন্য কোন বড় ইস্যু আড়াল করা হচ্ছে? এমনকি বড় বড় দুর্নীতির ঘটনা থেকে মানুষের চোখ সরিয়ে নিতেই হুট করে জুয়া আর মদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে সরকার; এমনটাও ধারণা অনেকের। 
হুট করেই অভিযান!
টানা তিনবার ক্ষমতায় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আছেন শেখ হাসিনা। ২৯ ডিসেম্বরের মহাবিতর্কিত নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় বসার পরই দুর্নীতির বিরুদ্ধে নিজের কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছিলেন তিনি। বছরের শুরুতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময়কালে দুর্নীতির বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি। পরে ডিআইজি মিজান ও দুদকের কর্মকর্তা এনামুল বাছিরের ঘটনাকে ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী ঘুষদাতা ও গ্রহীতা দু’য়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলেছেন। সরকারেরই কেউ কেউ বলছেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন সময় নানা কথা বললেও এর বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোন পদক্ষেপ নেয়া হয়নি, তাই সরকার জনগণের মধ্যে বিশ^াযোগ্যতা তৈরি করতেই এবার নিজ ঘর থেকে শুদ্ধি অভিযান শুরু করেছে।
একজন সাবেক মন্ত্রী বলেছেন, বিএনপির বিরুদ্ধে সরকার দুর্নীতির ব্যাপারে যত কথাই বলুক তা এখন আর মানুষ স্বাভাবিকভাবে নেয় না, বা বিশ^াস করে না। মানুষ মনে করে, বিএনপিকে নির্যাতন আর হয়রানি করতেই এসব কথা বলা হয়। সরকারের মন্ত্রীরাও উঁচু গলায়ই বলছেন, এ অভিযান দুর্নীতির বিরুদ্ধে, কে কোন দল করে তা দেখা হবে না। 
যা বলেন মন্ত্রী ও ক্ষমতাসীন দলের নেতারা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এ অভিযান শুরুর পর একাধিকবার বলেছেন, দুর্নীতিবাজ যেই হোক তার বিরুদ্ধে অভিযান চলবে, এ ক্ষেত্রে দল-মত বিবেচনা করা হবে না। তিনি বলেছেন, সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট হতে দেয়া যাবে না। বিতর্কিতরা কঠোর নজরদারিতে রয়েছে। 
সাবেক মন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, এ ধরণের অভিযানের বিষয়টি দলীয় ফোরামে বিভিন্ন সময় আলোচিত হয়েছে, দলের কোন তরফ থেকেই এ ধরণের অভিযানের ব্যাপারে কোন নেতিবাচক কথা বলা হয়নি, প্রধানমন্ত্রী যে পদক্ষেপ নিয়েছেন তা সরকারি পদক্ষেপ হলেও দল হিসেবে এর প্রতি আওয়ামী লীগের পূর্ণ সমর্থন আছে। 
কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য ড. আবদুর রাজ্জাকও জানিয়েছেন, এ ধরণের একটি অভিযান চালানো হতে পারে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে তারা আগেই সে আভাস পেয়েছিলেন।
১৪ দলের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করে এর সমন্বয়ক মোহাম্মদ নাসিম জানিয়েছেন, চলমান অভিযানের প্রতি এই জোটের সমর্থন আছে, অবশ্য মোহাম্মদ নাসিম যখন এ ঘোষণা দিচ্ছিলেন তখন তার সাথে ছিলেন সাবেকমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য রাশেদ খান মেনন, ক্যাসিনোর বিরুদ্ধে অভিযান শুরুর পর থেকেই তার নাম প্রচারিত হচ্ছে ক্যাসিনো আছে এমন একটি ক্লাবের সভাপতি হিসেবে। সর্বশেষ গত ২৬ সেপ্টেম্বর এক প্রতিক্রিয়ায় মোহাম্মদ নাসিম প্রশাসনের বিরুদ্ধে অত্যন্ত ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, পুলিশের নাকের ডগায় কীভাবে ক্যাসিনো চলে? শুধু ক্যাসিনোই নয়, ভল্ট ভর্তি কোটি কোটি টাকা শ’ শ’ ভরি সোনা পাবার ঘটনা সার্বিক পরিস্থিতিকেই বিব্রতকর করে তুলেছে। এ বিব্রতকর পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে সরকারের মন্ত্রীরা এটিকে বিএনপির ঘাড়ে চাপানোর চেষ্টা করছেন। তারা বলছেন, ক্যাসিনো ব্যবসা শুরু হয়েছে বিএনপির আমলে। কিন্তু বিএনপি ক্ষমতাচ্যুত হয়েছে প্রায় ১৩ বছর ধরে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দু’বছর আর আওয়ামী লীগের ১১ বছর- এই ১৩ বছর বিএনপির নেতাকর্মীরা দৌড়ের ওপর রয়েছে। অনেকে দেশ ছেড়ে বিদেশে পালিয়ে প্রাণ রক্ষা করেছে, অথচ এখন হঠাৎ করে ১৩ বছর আগের ক্যাসিনো ব্যবসা আবিষ্কার হওয়ার গল্প চরম হাস্যকর। পর্যবেক্ষকদের মতে, মন্ত্রীরা এমন কথা বলে পুরো অভিযানের ভাবমূর্তিকেই প্রশ্নবিদ্ধ করছেন, নিজেরাও হাসির পাত্রে পরিণত হচ্ছেন।
দুর্নীতিবিরোধী অভিযান শুরু হবে কী?
চলমান অভিযান দুর্নীতির বিরুদ্ধে কি না তা নিয়ে জনমনে একটা ধোঁয়াশা আছে, কেন না চলমান অভিযানে এ পর্যন্ত যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ নয়, আনা হয়েছে অবৈধ ক্যাসিনো, মদ, জুয়া আর টেন্ডারবাজির অভিযোগ। সাধারণ মানুষের মধ্যে এ নিয়ে ধোঁয়াশা থাকলেও সরকারি আমলাদের একাংশের মনে ভয় আছে, শেষ পর্যন্ত এ অভিযান তাদের দিকেও চলে আসতে পারে। তাই নিজেদের মধ্যে নানাভাবে আলাপ-আলোচনা করে পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করছেন তারা, একই সাথে নিজেদের ‘সেইফগার্ড’ বা গ্রেফতার এড়ানোর কৌশলও বের করার চেষ্টা করছেন তারা। এরিমধ্যে বহুল আলোচিত সরকারি চাকরি আইন কার্যকরে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। হঠাৎ ১ অক্টোবর থেকে এ আইন কার্যকরের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ আইনে অভিযোগপত্র দাখিলের আগে ফৌজদারি মামলায় নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের গ্রেফতার না করার বিধান রয়েছে। অবশ্য অভিযানের সাথে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র বলছে, এ অভিযানকে প্রশ্নবিদ্ধ করে এমন কোন বিষয়কে এ মূহুর্তে প্রশ্রয় দেবে না সরকার, তাই আমলারা চাইলেও এ আইনটি ঠিক এখনই কার্যকর হলে তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দেবে, এ বিষয়টি তাদের বিবেচনায় আছে।
কতদিন চলবে অভিযান?
আরেকটি প্রশ্নও আসছে ঘুরে ফিরে এ অভিযান কতদিন চলবে? চলমান এ অভিযান অনেকটা বলা যায় অবিশ্বাস্যভাবেই শুরু হয়েছে। আওয়ামী লীগের আমলে আওয়ামী লীগ নেতাদের ধরপাকড় করা হবে, এটা যেন বিশ্বাসই হচ্ছিল না সাধারণ মানুষদের। গত পৌনে ১১ বছর সরকার পরিচালনায় আওয়ামী লীগ সরকার জনগণের মতামতকে তেমন একটা গুরুত্ব দেয়নি। সেটির প্রয়োজনও তাদের হয়নি। প্রশাসন আর নেতাকর্মীদের ওপর নির্ভর করে এই পুরো সময়টা পার করেছে। কথায় কথায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা এনও বলেছেন, আগামী ২০৪১ সাল পর্যন্ত তারা ক্ষমতায় থাকবেন এবং সেটা জোর করেই। জোর খাটনোর এই শক্তি, বড় বড় দুর্নীতিবাজ, প্রভাবশালী নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে, বড় বড় গডফাদাররা ধরপাকড়ের মুখে পড়বেন এটা কেন যেন কেউ বিশ্বাসই করতে চাচ্ছেন না। তবে সরকারের একটি সূত্র জানিয়েছে, এ অভিযানের সুনির্দিষ্ট কোন সময়সীমা ঠিক করা হয়নি। মূলতঃ সরকার প্রধানের ইচ্ছায় এ অভিযান চলছে, সুতরাং এটি কখন শেষ হবে তাও অনেকটা নির্ভর করছে তার ওপরই। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মন্ত্রণালয় নানা অভিযান চালায়, সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয় সড়কের পাশের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে, রেলপথ মন্ত্রণালয় রেল লাইনের দু’পাশের দখল হওয়া ভূমি উদ্ধার করে, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় নদীদখল মুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও আগে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে, অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে এবং মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে। সে সব অভিযানের পরিকল্পনা আর সময়সীমা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ই ঠিক করে, কিন্তু এবার ভিন্ন পরিস্থিতিতে অভিযান চলছে, তাই কেউই এ অভিযানের গতি-প্রকৃতি আর সময়ের ব্যাপারে কিছু বলতে পারছেন না। 
অবশ্য পর্যবেক্ষকরা বলছেন, অভিযান যে পর্যায়ে গড়িয়েছে তাতে অসমাপ্ত অবস্থায় বন্ধ করাটা কঠিন হবে। তাতে সরকারের ইমেজ মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হবে। পরিস্থিতিরও অবনতি ঘটবে।
(সাপ্তাহিক শীর্ষকাগজে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ প্রকাশিত)