মঙ্গলবার, ১২-নভেম্বর ২০১৯, ১১:২৪ অপরাহ্ন
  • এক্সক্লুসিভ
  • »
  • প্রশাসনের সহযোগিতায় আবার বেপরোয়া ভূমিদস্যু সেই আবেদ-জাবেদ

প্রশাসনের সহযোগিতায় আবার বেপরোয়া ভূমিদস্যু সেই আবেদ-জাবেদ

shershanews24.com

প্রকাশ : ১১ অক্টোবর, ২০১৯ ০৬:৫৬ অপরাহ্ন

সাপ্তাহিক শীর্ষকাগজের সৌজন্যে: রাজধানীর পুরান ঢাকায় জাল-জালিয়াতি আর পেশিশক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে সরকারের মালিকানাধীন অর্পিত সম্পত্তি দখলের মহোৎসব চলছে। এই দখলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন সেই জাবেদ-আবেদ নামের সহোদর দুই ভাইয়ের সংঘবদ্ধ চক্র। সরকারি সম্পত্তি দখলই একমাত্র যাদের টার্গেট। বিগত বছরগুলোতে হাজার হাজার কোটি টাকার সরকারি সম্পত্তি দখল করে মার্কেট নির্মাণ করে বিক্রি করে দিয়েছে। তাদের এ অপকর্মে ঢাকা জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। বরং উল্টো তাদেরকে সহযোগিতা করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। সাপ্তাহিক শীর্খ কাগজ ইতিপূর্বে দুই ভাইয়ের এসব অপকর্ম নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের পর কিছুটা থেমেছিল। সাম্প্রতিক সময়ে এরা আবার নতুন উদ্যমে দখল উৎসব শুরু করেছে। যার ধারাবাহিকতায় সর্বশেষ শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের বাড়িও এদের দখলে চলে যায়। এতে সহযোগিতা করেন স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন। পুলিশের শীর্ষ পর্যায়ের পদক্ষেপে ওয়ারি বিভাগের ডিসি ইব্রাহীম খানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। কিন্তু এতে কী আবেদ-জাবেদের দখল বাণিজ্য থামবে? কারণ, তাদের বিরুদ্ধে তো এখনো কোনো ব্যবস্থা নেয়া হলো না। ঢাকা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের যেসব দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারী জাবেদ-আবেদের ভূমি দখলকে দীর্ঘকাল ধরে সহযোগিতা করে আসছিল তাদের বিরুদ্ধেও কোনো পদক্ষেপ নেয়া হলো না।
ভূমিদস্যু জাবেদ-আবেদের দখল বাণিজ্য নিয়ে সাপ্তাহিক শীর্ষ কাগজে ২০১৬ সালের মাঝামাঝি সময়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন ছাপা হয়। ফলে এটি সরকারের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নজরে আসে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি লুটেরাদের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য ঢাকা জেলা প্রশাসক বরাবর একটি চিঠি পাঠায়। তৎপর হয় তৎকালীন স্থানীয় জেলা প্রশাসন। সাময়িকভাবে বন্ধ হয় জাবেদ-আবেদের ভূমিদস্যুতা। কিন্তু ফের তাদের অপতৎপরতা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি শহীদ মুক্তিযোদ্ধা শামসুল হকের পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে নবাবপুর রোডের ২২১ নম্বর প্লট (চার কাঠা) দখল করে নেয় এই ভূমিদস্যুরা। ভুক্তভোগী পরিবারটি আবেদ-জাবেদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেও কোন ফল পায়নি। ডিসি বরাবর আবেদন করে। কিন্তু ডিসিও কোন প্রতিকার করেনি। এমন এক অবস্থায় বাধ্য হয়ে শহীদ পরিবারটি পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) জাবেদ পাটোয়ারী বরাবর প্রতিকার চেয়ে আবেদন করেন। এর  পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। সরকারি জমি দখলের সত্যতা মিলে তদন্তে। ফলে পুলিশের ওয়ারী বিভাগের সাবেক ডিসি ইব্রাহীম খানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। তবে বংশাল থানার অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাহিদুর রহমান এখনো আছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে। এছাড়া জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের যারা সরকারি অর্পিত সম্পত্তি জাল কাগজপত্র ঘুষ, দুর্নীতি ও অনিয়মের মাধ্যমে ভূমিদস্যদের দখল বাণিজ্যে সহযোগিতা করেছে তাদের বিরূদ্ধেও এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেয়নি প্রশাসন। 
পুরান ঢাকায় নবাবপুরের ২১৯ নম্বর বাড়িতে বাবা জমির উদ্দিনের সঙ্গে থাকতো আবেদ ও জাবেদ। ইলেক্ট্রিশিয়ান জমির উদ্দিনের আর্থিক অবস্থা একসময় খুবই খারাপ ছিল। কিন্তু দুই ছেলে বড় হবার পর বাপ-ছেলেরা জাল-জালিয়াতি করে অর্পিত সম্পত্তি দখলের মাধ্যমে বহুতল ভবন তৈরি করে। মার্কেট বানিয়ে দোকান বরাদ্দ দিয়ে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেয়। এভাবে আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ হয়ে যায় দুই ভাই। মূলত যখন যে সরকার ক্ষমতায় থাকে তাদের রাজনীতির সাথে যুক্ত হয়ে তাদের উদ্দেশ্য হাসিল করে। জানা গেছে বর্তমানে এক ভাই আওয়ামী লীগ ও অপর ভাই বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত।
সরকারি এসব সম্পত্তির জাল দলিল বানিয়ে আবেদ-জাবেদ চক্রটি লিজ গ্রহীতাদের কাউকে জোর করে, আবার কাউকে ম্যানেজের মাধ্যমে উচ্ছেদ করে সেখানে বহুতল বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণ করেছে এবং করছে। এগুলো বহুতল ভবন নির্মাণের পর দোকান ও ফ্ল্যাট হিসেবে বিক্রিও করে দিয়েছে। তাদের অপকর্মের বিরুদ্ধে আদালতে অনেকগুলো মামলা থাকলেও এখন পর্যন্ত কোনো মামলার নিষ্পত্তি হয়নি, মামলার কার্যক্রম চলছে ধীর গতিতে। নবাবপুরের প্রভাবশালী ব্যবসায়ী সাজেদ আহমেদ ব্যাপারীর নাম ভাঙিয়ে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা শামসুল হক খানের পরিবারের নামে বরাদ্দকৃত জমির তিনতলা বাড়ি ভেঙে সেখানে বহুতল ভবন নির্মাণকাজ শুরু করেছিলেন জাবেদ-আবেদ। অভিযোগ রয়েছে, এ হীনকর্মে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষপাতিত্ব পেতে তারা ৩ কোটি টাকা ঘুষ দিয়েছেন। এর মধ্যে পুলিশের ওয়ারী বিভাগের ডিসি মোহাম্মদ ইব্রাহিম খান পেয়েছেন ২ কোটি এবং বংশাল থানার ওসি সাহিদুর রহমান পেয়েছেন এক কোটি টাকা। 
অভিযোগে বলা হয়, নবাবপুরের ২২১ নম্বর হোল্ডিংয়ের সম্পত্তি ঢাকা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অর্পিত সম্পত্তি দপ্তর থেকে আজহারুল হক খানের মা মাসুদা খানম লিজ নেন। স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত শহীদ বুদ্ধিজীবী, কুমিল্লা জেলার সাবেক জেলা প্রশাসক শামসুল হক খানের পরিবারের সদস্য হিসেবে তিনি এ সম্পত্তি লিজ নেন। এরপর থেকে ‘লিজ মানি’ পরিশোধ করে দীর্ঘদিন ধরে তিনি সম্পত্তিটি নিজের দখলে রাখলেও মাসুদা খানমের মৃত্যুর পর তার পুত্র আজহারুল হক খান ও ফজলুল হক খানের নামে ওই সম্পত্তি লিজ নিয়ে ২০১৭ সাল পর্যন্ত লিজ মানি পরিশোধ করা হয়। ২০১৮ সালে লিজ নবায়নের জন্য তারা ঢাকা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে আবেদন করেন। 
শহীদ মুক্তিযোদ্ধা শামসুল হক খানের পরিবারের জন্য বরাদ্দকৃত বাড়িতে অবস্থিত মাসুদা করপোরেশন নামক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি দখলে নিতে জাবেদ-আবেদ কয়েকবার চেষ্টা করে। ২০১৮ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার মার্কেট বন্ধের দিন ছিল। সেদিন সন্ধ্যার পর ওই মার্কেটের পাশে অবস্থিত জাবেদ-আবেদের গাউসিয়া মার্কেট কাম আবাসিক ভবনে (এটিও দখলকৃত) উচ্চঃস্বরে মাইক বাজিয়ে গান-বাজনার আড়ালে শতাধিক শ্রমিক নিয়ে মুক্তিযোদ্ধার মার্কেটটি ভেঙে গুড়িয়ে দেয়। জাবেদ উদ্দিন শেখের নেতৃত্বে ৩০-৩৫ জন সন্ত্রাসী প্রবেশ করে। সেখানে আজহারুলের প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার মুক্তিযোদ্ধা কেএম শহীদুল্লাহ এবং পরিবারের সদস্যদের হাত-পা বেঁধে পর দিন পর্যন্ত আটকে রেখে যাবতীয় মালপত্র লুট করে, যার মূল্য প্রায় পাঁচ কোটি টাকা বলে অভিযোগ ভূক্তভোগীদের। এরপর তাদের বাড়ি থেকে বিতাড়ন করা হয়। বাড়িটি ভেঙে দখলদাররা নতুন করে ভবন নির্মাণ শুরু করলে বংশাল থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগীরা। কিন্তু পুলিশ কোন ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো তাদেরকে থানায় নিয়ে হেনস্থা করে। জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকেও কোন প্রতিকার মেলেনি, তারা মামলা থাকার কথা বলে নীরব থাকলেও আবেদ-জাবেদ ওই জমি দখল করে বহুতল ভবন নির্মাণের কাজ শুরু করেন। অভিযোগ রয়েছে, জেলা প্রশাসনও আবেদ-জাবেদের কাছে বিক্রি হয়ে গেছে। 
নিরূপায় পরিবারটি পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) জাবেদ পাটোয়ারী বরাবর অভিযোগ করলে, তার নির্দেশে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে ডিএমপি। তদন্তে ডিসি ইব্রাহীমের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের সত্যতা মেলে। গত ২৩ মে পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত ডিআইজি (পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট-১) মো. আমিনুল ইসলাম ব্যাখ্যা চেয়ে ইব্রাহীম খানকে চিঠি দেন। এতে বলা হয়, সন্ত্রাসীরা অভিযোগকারী আজহারুলের প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার ও তার পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি দেখানো, পাঁচ কোটি টাকার মালপত্র লুটপাট ও এঘটনায় বংশাল থানার তদারকি কর্মকর্তা হিসেবে প্রচলিত আইনের উপযুক্ত ধারায় মামলা রুজুর বিষয়ে বংশাল থানার ওসিকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে ডিসি ইব্রাহীম খান ব্যর্থ হয়েছেন। ইব্রাহীম খান নিজেই ২০১৮ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর মামলার তদারকি প্রতিবেদন (সুপারভিশন নোট) দেন। তার দায় এড়ানোর জন্যই ঘটনাস্থল পরিদর্শন না করেই তিনি তড়িঘড়ি পরিদর্শন প্রতিবেদন দিয়েছেন। বাড়িটি অবৈধ দখল হওয়া থেকে রক্ষায় তিনি পুলিশি দায়িত্ব পালনে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছেন। অবশেষে গত ২৬ আগস্ট সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা ২০১৮-এর বিধি নং ২ (খ)-এর সংজ্ঞা অনুসারে ওয়ারী বিভাগের ডিসি ইব্রাহীম খানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
আবেদ-জাবেদ সম্পত্তির ভুয়া দলিল তৈরি করেছেন জেলা প্রশাসন ও ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহায়তায় কিন্তু তারা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে। এর আগে নবাবপুর রোডস্থ ২৩৪ ও ২৩৫ নং হোল্ডিয়ের প্রায় পৌনে এক বিঘা আয়তনের সরকারি গেজেটভুক্ত অর্পিত সম্পত্তি দখল করে আবেদ-জাবেদ চক্র। রাজউকের অনুমোদন ছাড়া ৭ তলা ভবন নির্মাণ করে দোকান ও ফ্ল্যাট আকারে তা বিক্রি করে দেয়া হয়েছে। ভবনের নাম দেয়া হয়েছে জাবিন টাওয়ার। এরা শেখ মুহাম্মদ সনু ও বশির আহমেদ এই দু’জনের নামে জাল দলিল তৈরি করেছে। জাবেদ-আবেদের আপন ভগ্নিপতির বাড়ির কেয়ার টেকার শেখ সনু। অন্যদিকে বশির আহমেদ (আসল নাম এলাহী বখশ) হলেন জাবেদ-আবেদের আপন মামা। এভাবে কারসাজির মাধ্যমে অতি মূল্যবান এ সম্পত্তিটি দখল করে নেয় জালিয়াতচক্র। 
৮৩ নং নবাবপুর রোডস্থ অর্পিত সম্পত্তি (ভিপি কেস নং ১৩০৮/৬৩) দখল করে সাজেদা আলী প্লাজা মার্কেট নির্মাণ করেছে। নবাবপুর রোডের ২২৯ নং হোল্ডিংয়ের সম্পত্তি দখল করে ৫ তলা ভবন নির্মাণ করে বিক্রি করে দিয়েছে। যার নাম দেয়া হয়েছে ড্রয়েলিং পয়েন্ট। নবাবপুরের ২২২ নং প্লট দখল করে মরিয়ম টাওয়ার নির্মাণ করা হয়েছে। নবাবপুর রোডের ৫৬ ও ৫৭ নম্বরের দুটি প্লট দখল করে নবাবগঞ্জ কমার্শিয়াল নামে বহুতল ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। ৫০ নম্বর নরেন্দ্র বসাক লেনের প্লটটিও জাবেদ-আবেদ দখল করে নিয়েছে। এভাবে জাবেদ-আবেদ দু’ভাইয়ের নেতৃত্বে জালিয়াতচক্র কয়েকশ’ কোটি টাকার সরকারি সম্পত্তি দখল করে নিয়েছে। সরকারি সম্পত্তি দখল করতে গিয়ে জাবেদ ইতিপূর্বে র‌্যাবের হাতে অস্ত্রসহ ধরাও পড়েছিলো। তার সঙ্গে ধরা পড়েছিলো সহযোগী রুবেল ও জনি। জাবেদ, আবেদ, রুবেল, জনি ছাড়াও বিভিন্ন প্লট দখলের ঘটনায় এদের সহযোগী হিসেবে কাজ করছে মীরাজ ও জুয়েল। এদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে থানায় অনেক মামলা ও গ্রেফতারি পরোয়ানাও আছে। 
এদিকে সূত্রাপুরের আরএস দাস রোডের (ভূষির গলি) ৮৮, ৯৬ ও ৯৭ নম্বর হোল্ডিংয়ের ৩২ কাঠা অর্পিত সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে নিয়েছে স্থানীয় প্রভাবশালী আসাদ মাহবুব ও দিপু মাহবুব। সরকারি গেজেটে এসব সম্পত্তি অর্পিত সম্পত্তি হিসেবে রেকর্ডভুক্ত। জানা গেছে, তারাও বিভিন্নভাবে প্রশাসনকে ’ম্যানেজ’ করে ফেলেছে। 
সরকারি সম্পত্তি কিংবা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে দেয়া সম্পত্তি পুলিশসহ প্রশাসনের একশ্রেণির অর্থলোভী কর্মকর্তার সহযোগিতায় দখল করে নিচ্ছে আবেদ-জাবেদ এবং আসাদ-দিপুর মতো চক্র। এতে সরকারের সম্পত্তিই শুধু বেহাত হচ্ছে না, ক্ষুণœ হচ্ছে ভাবমূর্তিও। ওয়ারি জোনের ডিসির বিরুদ্ধে পুলিশ প্রশাসন ব্যবস্থা নেয়ায় পুলিশের শীর্ষ প্রশাসনের ওপর ভূক্তভোগীদের আস্থা অনেক বেড়েছে, পুলিশ এইসব ভূমিদখলদারদের বিরুদ্ধে আরো শক্ত হবে এটাই তাদের দাবি।
(সাপ্তাহিক শীর্ষকাগজে ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ প্রকাশিত)