শনিবার, ২০-জুলাই ২০১৯, ০৩:০৮ পূর্বাহ্ন
  • স্বাস্থ্য
  • »
  • এডিস মশার আক্রমণ বাড়ছে, ২৪ ঘণ্টায় ৭৫ জন হাসপাতালে  

এডিস মশার আক্রমণ বাড়ছে, ২৪ ঘণ্টায় ৭৫ জন হাসপাতালে  

shershanews24.com

প্রকাশ : ২৮ জুন, ২০১৯ ০৬:৫২ অপরাহ্ন

শীর্ষকাগজ, ঢাকা : মশা নিয়ন্ত্রণে প্রচলিত ওষুধকে হার মানিয়ে বংশ বিস্তার করছে ডেঙ্গুর বাহক এডিস। বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) সকাল থেকে শুক্রবার (২৮ জুন) সকাল পর্যন্ত ৭৫ ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। ওষুধের বিষয়ে ঢাকার দুই মেয়রের দুই রকম বক্তব্যে তৈরি হয়েছে জটিলতা। এদিকে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, প্রতিটি সংস্থার সমন্বয় থাকলে এ মৌসুমে নতুন ওষুধ আমদানি ও ব্যবহার করা সম্ভব।

রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে হু হু করে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছেন। সব মিলিয়ে বর্তমানে চিকিৎসা নিচ্ছেন ২৬৬ জন। এর মধ্যে সব থেকে বেশি ২০ জন রোগী ভর্তি আছেন হলি ফ্যামেলি রেড ক্রিসেন্ট হাসপাতালে। ঢাকা মেডিকেলে ১১ জন, বিজিবি হাসপাতালে ১২ জন, বারডেম হাসপাতালে ২ জন এবং শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৩ জন রোগী। এছাড়া বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ভর্তি আছেন ২৭ জন রোগী।

রোগীর ক্রমবর্ধমান সংখ্যাই বলে দেয় মশা নিয়ন্ত্রণে কাজে আসছে না প্রচলিত ওষুধ। এর মধ্যেই নতুন ওষুধ আমদানি ও প্রয়োগ নিয়ে ঢাকার দুই মেয়রের ভিন্ন বক্তব্য বাড়িয়েছে জটিলতা।

গত এপ্রিল থেকে চলতি মাস পর্যন্ত রাজধানীর হাসপাতালগুলোর রোগী ভর্তির তথ্য উপাত্তই প্রমাণ করে কর্তৃপক্ষের নানা কার্যক্রম সত্ত্বেও রোগ বিস্তারে জয়লাভ করেছে ডেঙ্গুর বাহক এডিস। সুতরাং সকল জটিলতার অবসান ঘটিয়ে দ্রুতই এডিস নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ওষুধ প্রয়োগের দাবি সাধারণ মানুষের।

সাধারণ মানুষ বলছেন, যে ওষুধে মশা মারার কাজ করবে না, সে ওষুধ সময় অর্থ ব্যয় করে ছিটানোর মানেই হয় না। জনগণের উপকারে আসবে তা করার মানে কি। 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, ডাব্লিউএইচও স্বীকৃতি দিলেও নতুন ওষুধ ব্যবহারের আগে পেরুতে হবে বেশ কয়েকটি ধাপ। পুরো প্রক্রিয়া মেনে চলতি মৌসুমেই ওষুধ দেয়ার কাজ শুরু করা সহজ হবে না। তবে প্রতিটি সংস্থার সমন্বয় থাকলে বিষয়টি অসম্ভবও নয়।

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ কর্মসূর প্রোগ্রাম ম্যানেজার ডা. এম এম আক্তারুজ্জামান বলেন, যে ওষুধে কাজ হবে না সে ওষুধ ছিটায়ে লাভ নাই। স্বাস্থ্য বিভাগ কৃষি বিভাগ মিলিয়ে আলোচনা করে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।  চিকিৎসকরা বলছেন, এডিস নিয়ন্ত্রণে সরকারি সেবা সংস্থাগুলোর উদ্যোগের পাশাপাশি ব্যক্তিগত সচেতনতাও কম জরুরি নয়।
শীর্ষকাগজ/এসএসআই