বুধবার, ২২-মে ২০১৯, ০১:২১ অপরাহ্ন
  • আন্তর্জাতিক
  • »
  • থাই নির্বাচনে সেনাপন্থি দল বিশাল ব্যবধানে এগিয়ে

থাই নির্বাচনে সেনাপন্থি দল বিশাল ব্যবধানে এগিয়ে

Sheershakagoj24.com

প্রকাশ : ২৫ মার্চ, ২০১৯ ১২:০৪ অপরাহ্ন

শীর্ষকাগজ ডেস্ক:  থাইল্যান্ডে জাতীয় নির্বাচনে অনেক ব্যবধানে এগিয়ে আছে সেনাবাহিনীপন্থি পালাং প্রাচা রাথ পার্টি। 
রোববার অনুষ্ঠিত নির্বাচনের শতকরা ৯০ ভাগেরও বেশি ভোট গণনা হয়েছে। তাতে এই দলটি ৭৬ লাখ ভোট পেয়েছে। বিরোধী দল বা সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রাপন্থি পুয়ে থাই পার্টির চেয়ে তারা ৫ লাখেরও বেশি ভোট পেয়েছে। থাকসিন সিনাওয়াত্রার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত এই দলটি। 
উল্লেখ্য, ২০০১ সাল থেকে প্রতিটি নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে আসছিল থাকসিন সিনাওয়াত্রাপন্থি বা তার প্রতি অনুগত দলগুলো। এ খবর দিয়ে অনলাইন বিবিসি লিখেছে, ৫ বছর আগে সেনাবাহিনী দেশটির গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারের প্রধানমন্ত্রী ইংলাক সিনাওয়াত্রাকে ক্ষমতাচ্যুত করে। এরপর ৫ বছর ক্ষমতায় থাকার পর রোববার প্রথম নির্বাচন হয়েছে সেখানে।
এতে অপ্রত্যাশিতভাবে এগিয়ে আছে সেনাবাহিনীপন্থি ওই দলটি।   

আজ সোমবার এ নির্বাচনের ফল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা হতে পারে। তবে বেসরকারি ফলে দেখা যাচ্ছে সেনাবাহিনীর প্রতি অনুগত দল পালাং প্রাচা রাথ পার্টি যে বিজয় পেয়েছে তাতে তারা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জেনারেল প্রায়ুত চান ওচার অধীনে একটি নতুন সরকার গঠন করতে পারবে। এ দলটির এমন ফলকে অপ্রত্যাশিত বলে বর্ণনা করা হচ্ছে। এর কারণ, তারা নির্বাচনে তৃতীয় শক্তিশালী দল হিসেবে আবির্ভূত হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে পূর্বাভাষ দেয়া হয়েছিল। দেশটিতে ৫ কোটির বেশি বৈধ ভোটার রয়েছেন। তবে নির্বাচনে তাদের মধ্য থেকে শতকরা ৬৪ ভাগ মানুষ ভোট দিয়েছেন। 

নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার ফলে দেশটিতে রাজনৈতিক অস্থিরতা বিরাজমান। ইংলাক সিনাওয়াত্রাকে ২০১৪ সালে ক্ষমতাচ্যুত করার পর সেনাবাহিনী প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল শৃংখলা ও গণতন্ত্র ফেরানোর। কিন্তু তারা বার বার নির্বাচন স্থগিত করেছে। এবার নির্বাচনের আগে শনিবার রাতে দেশবাসীর উদ্দেশে একটি বিবৃতি দেন রাজা মাহা বাঝিরালংকর্ন। এতে তিনি ভোটগ্রজণকালে শান্তি ও শৃংখলা বজায় রাখতে সবার প্রতি অনুরোধ করেন। তিনি ভাল মানুষদের সমর্থন দেয়ার আহ্বান জানান। 
এই নির্বাচনকে দেখা হচ্ছিল সেনাবাহিনীর প্রতি অনুগত ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রার প্রতি অনুগত দলগুলোর লড়াই হিসেবে। থাকসিন সিনাওয়াত্রাকে ২০০৬ সালে রক্তপাতহীন এক সামরিক অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়। ক্ষমতা অপব্যবহারের অভিযোগে অভিযুক্ত হন তিনি। ফলে স্বেচ্ছা নির্বাসনে চলে যান থাকসিন সিনাওয়াত্রা। দেশের বাইরে অবস্থান করলেও এখনও রাজনীতিতে তার রয়েছে উল্লেখযোগ্য প্রভাব। তার ব্যাপক ভক্ত রয়েছেন গ্রামীণ এলাকায়। 

এবার নির্বাচনে আরো যেসব প্রথম সারির রাজনৈতিক দল ছিল মাঠে তার মধ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী অভিজিত ভেজাজিভার নেতৃত্বাধীন ডেমোক্রেটস, তরুণ বিলিয়নিয়ার থানাটর্ন জুয়াংরুংরুংকিটের নেতৃত্বাধীন নতুন গড়ে ওঠা ফিউচার ফরোয়ার্ড পার্টি অন্যতম। 
শীর্ষকাগজ/এম