শুক্রবার, ০৩-এপ্রিল ২০২০, ০৫:২১ অপরাহ্ন

ঋতু বদলে ফিরে আসতে পারে  করোনা

shershanews24.com

প্রকাশ : ২৬ মার্চ, ২০২০ ০৬:৫৩ অপরাহ্ন

শীর্ষ নিউজ ডেস্ক:ঋতু বদলের সঙ্গে করোনাভাইরাস ফিরে আসতে পারে বলে সতর্ক করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের একজন বিজ্ঞানী। গতকাল বুধবার বিষয়টি উল্লেখ করে ভ্যাকসিন এবং কার্যকর চিকিৎসার পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর জোর দেন তিনি। খবর এএফপির।

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথের সংক্রামক রোগবিষয়ক গবেষক অ্যান্টনি ফাওসি এক ব্রিফিংয়ে বলেন, শীতের সময় করোনাভাইরাস হ্যাম্পশায়ারের দক্ষিণাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ছিল। তিনি বলেন, আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চল ও হ্যাম্পশায়ারের দক্ষিণের দেশগুলোতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী পাওয়া যাচ্ছে। এর কারণ হলো এই দেশগুলোতে এখন শীতকাল।

পরবর্তী শীতের সময় আবার করোনাভাইরাস আঘাত আনতে পারে বলে তিনি শঙ্কা প্রকাশ করেন। এ জন্য তিনি প্রস্তুত থাকার ওপরও জোর দেন। তিনি বলেন, সবচেয়ে বেশি দরকার ভ্যাকসিন তৈরির ওপর জোর দেওয়া। দ্রুত ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা নিয়ে পরীক্ষা চালাতে হবে। যাতে পরবর্তী শীত মৌসুমের আগেই ভ্যাকসিন সহজলভ্য হয়।

এখন চীন ও যুক্তরাষ্ট্রে মানুষের শরীরে করোনাভাইরাসের দুটো ভ্যাকসিনের পরীক্ষা–নিরীক্ষা চালানো হচ্ছে। করোনাভাইরাসের চিকিৎসায় বিভিন্ন ওষুধের কার্যকারিতা নিয়েও গবেষণা চলছে। ম্যালেরিয়ার প্রতিষেধক ক্লোরোকুইন ও হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইনের কার্যকারিতা নিয়েও গবেষণা চলছে।

ফাওসি বলেন, ‘জানি আমরা করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক আবিষ্কারে সফল হব। কিন্তু পরবর্তী শীত মৌসুমের জন্যও আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে।’

ফাওসি বলছেন, গরমের তুলনায় শীতে করোনভাইরাস বেশি কার্যকর থাকে। চীনেও এ ধরনের একটি গবেষণা হয়েছে। তবে ওই গবেষণায় বিষয়টি নিয়ে গবেষকেরা এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেননি। এটি নিয়ে আরও পর্যালোচনা চলছে। গবেষকেরা কারণ হিসেবে বলছেন, শীতের সময় ফুসফুসের সংক্রমণ বেশি হয়।

গবেষকেরা আরও যে কারণের কথা বলছেন, তা হলো ভাইরাস গরমে কম শক্তিশালী থাকে। কারণ, তাদের সুরক্ষাকারী চর্বিজাতীয় আবরণ গরমে বেশিক্ষণ টিকতে পারে না।

তবে সংক্রমণের হার কম হওয়ার মানে এই নয় যে ভাইরাস নির্মূল হচ্ছে। অস্ট্রেলিয়ায় এ পর্যন্ত ২ হাজার ৫০০ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। আটজন মারা গেছেন।
শীর্ষ নিউজ/এন