shershanews24.com
নিয়োগের বয়সসীমা ৩২, টিকলেন ৩৮ বছর বয়সী
শনিবার, ১৮ মে ২০১৯ ০২:৫১ অপরাহ্ন
shershanews24.com

shershanews24.com

শীর্ষকাগজ, ঢাকা: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) মেডিকেল অফিসার নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসসহ বেশকিছু অসংগতির কথা উল্লেখ করে এ পরীক্ষা বাতিল ও পুনঃপরীক্ষা আয়োজনের দাবি জানিয়েছেন নিয়োগ প্রার্থীরা।
তারা অভিযোগ করেছেন, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে আবেদনের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩২ বছর নির্ধারিত থাকলেও ৩৮ বছর বয়সী এক প্রার্থীকে লিখিত পরীক্ষায় টিকানো হয়েছে। তার নাম বিদ্যুৎ কুমার সূত্রধর।
শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ ও দাবি তোলেন আন্দোলনকারীরা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য ডা. মাইনুল হাসান বলেন, ফলের তালিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের ছেলে, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের জামাতা, উপাচার্যের ব্যক্তিগত সহকারী-২ এর স্ত্রীসহ প্রশাসনের উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের স্বজনরা প্রথম সারিতে আছেন।
তিনি দাবি করেন, গত ৬ মাস আগে বিএসএমএমইউতে বিতর্কিত প্রশ্নপত্রে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া পরীক্ষার নির্ধারিত দিনের চারদিন আগেই পরীক্ষার নিয়ন্ত্রকের উপস্থিতিতে একটি কক্ষে পলীক্ষার প্রশ্নপত্র খোলা হয়।
এছাড়া পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ও ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মাধ্যমে উত্তরপত্র সরবরাহের ঘটনা ঘটেছে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে ডা. মাইনুল হাসান জানান, অনিয়ম স্বজনপ্রীতির এ নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল করে পুনঃনিয়োগ পরীক্ষার আয়োজন করা না হলে পরবর্তীতে আন্দোলনসহ বিভিন্ন প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা হবে।
প্রসঙ্গত গত ২০ মার্চ ২০০ জন মেডিকেল অফিসার নিয়োগের জন্য পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর গত রোববার পরীক্ষার ফল ঘোষণার পর সন্ধ্যায় পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে জড়ো হন এবং ফল বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সুকৌশলে তাদের ইচ্ছামতো ফল প্রকাশ করেছে। লিখিত পরীক্ষায় ৮০০ নিয়োগপ্রার্থীকে পাস করানো হয়েছে।

২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে বিএসএমএমইউতে ২০০ চিকিৎসক নিয়োগে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ওই সময় অজ্ঞাত কারণে পরীক্ষা স্থগিত করে কর্তৃপক্ষ।
এর পর প্রশাসন থেকে জানানো হয়, নভেম্বরে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে পরীক্ষা গ্রহণের ভেন্যু না পাওয়ায় সেই পরীক্ষা বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) অনুষ্ঠিত হয় গত ২২ মার্চ।
২০০ পদের বিপরীতে পরীক্ষায় অংশ নেন ৮ হাজার ৫৫১ চিকিৎসক। অর্থাৎ এক পদের বিপরীতে লড়েছেন ৪৩ জন।
শীর্ষকাগজ/জে