shershanews24.com
দুর্নীতির ৮ মামলার আসামীকে চিড়িয়াখানার আধুনিকীকরণ কাজের পরামর্শক নিয়োগ!
মঙ্গলবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৫:৪১ অপরাহ্ন
shershanews24.com

shershanews24.com

সাপ্তাহিক শীর্ষকাগজের সৌজন্যে: পশু-পাখি নিয়ে শিশুদের কৌতুহলের শেষ নেই। কেবল শিশুরাই নয়, দেশের প্রান্তিক উপজেলার ইউনিয়ন পর্যায়ের মানুষটিও ঢাকা এলে একবার ঢুঁ মেরে যেতে চান ঢাকায় অবস্থিত জাতীয় চিড়িয়াখানায়। কিন্তু বছরের পর বছর ধরে সীমাহীন অনিয়ম আর অব্যবস্থাপনায় চরম দুরাবস্থা হয়ে দাঁড়িয়েছে এটির। পশু-পাখির খাদ্য চুরি, কেনাকাটা ও উন্নয়ন কর্মকা-ে অনিয়মসহ বহুমুখী দুর্নীতির বৃত্তে আটকে আছে এই জাতীয় প্রতিষ্ঠানটি। এটি চলছে অনেকটা বলা যায়, খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে। জাতীয় চিড়িয়াখানার উন্নয়ন কর্মকা-ে বিচ্ছিন্নভাবে প্রায়ই কিছু না কিছু অর্থ খরচ হয়েছে। কিন্তু সেইসব উন্নয়ন কর্মসূচির কোনো ছোঁয়া লাগেনি প্রতিষ্ঠানটিতে। তাই সর্বশেষ জাতীয় চিড়িয়াখানাকে আধুনিকীকরণের জন্য একটি বৃহৎ প্রকল্প গ্রহণ করতে যাচ্ছে সরকার। এর জন্য মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে একটি প্রকল্পও হাতে নেয়া হয়েছে, যাকে আধুনিকীকরণের প্রস্তুতি প্রকল্প নামেই আখ্যায়িত করা হয়। রংপুর চিড়িয়াখানাকেও এই প্রকল্পের অধীনে নেয়া হয়েছে। প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীন ঢাকাস্থ জাতীয় চিড়িয়াখানা ও রংপুর চিড়িয়াখানা আধুনিকীকরণের প্রস্তুতি অর্থাৎ মাস্টারপ্ল্যান তৈরির কাজে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৪ কোটি ২ লাখ টাকা। এই প্রকল্পের নাম দেয়া হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানা ও রংপুর চিড়িয়াখানার মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন এবং অপরিহার্য অবকাঠামো সংস্কার ও উন্নয়ন প্রকল্প। প্রকল্পটি শুরু হয়েছে ১ জুলাই, ২০১৮ইং থেকে এবং শেষ করার কথা রয়েছে আগামী ৩০ জুন, ২০২০ এর মধ্যে। 
প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের অধীন জাতীয় চিড়িয়াখানার আধুনিকীকরণের প্রস্তুতি প্রকল্পটি দেখভাল করছেন কিউরেটর ড. এস এম নজরুল ইসলাম। তিনি এ প্রকল্পের পরিচালকের দায়িত্বে রয়েছেন। তিনি এ প্রকল্পের পরামর্শক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন এমন এক প্রকৌশলীকে যিনি ইতিপূর্বে প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের বিভিন্ন প্রকল্পে কর্মরত থাকাকালে সীমাহীন দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত হন। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা হয়, এমনকি বরখাস্তও হন। এই প্রকৌশলীর নাম মো. আলী আকবর। বিভিন্ন প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগে আলী আকবরের বিরুদ্ধে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন স্থানে একে একে আটটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বর্তমানে এসব মামলা বিচারাধীন এবং তিনি জামিনে আছেন। অথচ এই প্রকৌশলীকে কিউরেটর নজরুল ইসলাম জাতীয় চিড়িয়াখানার মাস্টারপ্ল্যান তৈরি এবং অপরিহার্য অবকাঠামো সংস্কার ও উন্নয়ন প্রকল্পের পরামর্শক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। কিন্তু এই প্রকৌশলী আলী আকবরও হজে গেছেন। প্রকল্পটির অধীনে বর্তমানে চিড়িয়াখানায় যেসব সংস্কার ও উন্নয়ন কাজ চলছে সেগুলো দেখাশোনার দায়িত্ব পালন করছেন আলতাফ হোসেন নামে একজন উপসহকারী প্রকৌশলী। প্রকৌশলী আলতাফের চাকরি মূলত মিরপুর পোল্টি ফার্মে। কিন্তু তিনি ইলেকট্রিক্যাল ব্যাকগ্রাউন্ডের একজন ডিপ্লোমা প্রকৌশলী। অথচ তাকে দিয়েই চিড়িয়াখানার অবকাঠামো সংস্কারের সিভিল কাজগুলো তদারক করা হচ্ছে। এছাড়া এই সংস্কার কাজগুলোতে আরো বিভিন্ন রকমের ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। ফলে আধুনিক চিড়িয়াখানা হিসেবে জাতীয় চিড়িয়াখানাকে গড়ে তোলার স্বপ্ন শুরুতেই হোঁচট খেতে বসেছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, জাতীয় চিড়িয়াখানায় প্রধান সড়কটি দীর্ঘ দিন ধরে ভাঙ্গাচুরা অবস্থায় থাকার পর সংস্কার করা হচ্ছে। আধুনিকীকরণ প্রস্তুতি প্রকল্পের অধীনেই এই সংস্কার কাজ হাতে নেয়া হয়েছে। কিন্তু নিয়ম না মেনে ধুলা বালির উপরেই করা হয়েছে কার্পেটিং। নতুন করে সিলকোট করার কথা থাকলেও ভাঙ্গা রাস্তার খানাখন্দগুলোতে বিটুমিনযুক্ত পাথরের প্রলেপ দেয়া হয়েছে। আবার বেশিরভাগ জায়গায় বড় বড় গর্তে নিম্নমানের ইটের গুঁড়া মিশ্রিত ব্যবহার অযোগ্য খোয়া দিয়ে তার উপর কার্পেটিং প্রলেপ বসানো হয়েছে। পিচ ঢালাইয়ের পরও রাস্তাটি যাতে উঁচু নিচু অবস্থায় দেখা না যায় তাই কার্পেটিং করা নতুন রাস্তাটির উপর বালু ছিটিয়ে দিয়ে ঢেকে দেয়া হয়েছে। 
সরেজমিন পরিদর্শনকালে চিড়িয়াখানার একজন কর্মী জানান, প্রধান সড়কটিতে শুরু থেকেই দায়সারাভাবে কাজ করছেন সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার। পুরানো রাস্তাটিতে কোনো রকম ঘসেমেজে কার্পেটিং করা হয়েছে। এতে এতো নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে তৈরী করা হয়েছে, পা দিয়ে জোরে ধাক্কা দিলে রাস্তার কার্পেটিং উঠে যায়। তিনি আশঙ্কা করে বলেন, বেশি দিন লাগবে না পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসতে।
চিড়িয়াখানার উত্তরে লেকের পাড়ের রাস্তা সম্প্রসারণ কাজেও নিম্নমানের ইট ব্যবহার হয়। যা আঁকাবাঁকা ও খোয়ার কাজে ব্যবহৃত ইট। ইটগুলো এক-দুই ইঞ্চি ফাঁকা করে বিছানো হয়েছে এবং তা বালু দিয়ে ঢেকে দেয়া হয়েছে। অধিকাংশ ইট ভাঙ্গা বা ফাটা। রাস্তা নির্মাণ ক্ষেত্রে ইট বিছানোর পর পাঁচ ইঞ্চি বালু দেয়ার নিয়ম থাকলেও সেখানে এক থেকে দেড় ইঞ্চি বালু দেয়া হয়েছে এবং রাস্তার পুরানো ইটকে ঘসামাজা করে ব্যবহার করতে দেখা গেছে। 
রাস্তাটির এক নির্মাণ শ্রমিক জানান, রাস্তা নির্মাণের জন্য যে মানের ইট দেওয়ার কথা ঠিকাদার তা দিচ্ছেন না। ফলে রাস্তাটি দ্রুত নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে। 
তবে কাজরত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নাবিল প্রপার্টিজ স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় কাজ করছে বলে দাবি করছেন। যদিও চিড়িয়াখানার আধুনিকরণ কাজটি নাবিল প্রপার্টিজ টেন্ডারে পায়নি, এমএইচ কনস্ট্রাকশন নামে অন্য একটি প্রতিষ্ঠান কাজটি পেয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির মালিক জনাব নিখিল বর্তমানে হজ পালনের উদ্দেশ্যে মক্কায় অবস্থান করছেন বলে জানানো হয়। তাই এ বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অবশ্য, যদিও শীর্ষকাগজের প্রতিবেদক সরেজমিনে গিয়ে এ তথ্যগুলো সংগ্রহ করেছেন এবং নাবিল প্রপার্টিজকেই কাজ করতে দেখেছেন তথাপি কিউরেটর মোবাইল ফোনের বক্তব্যে বিষয়টি অস্বীকার করেন। কিউরেটর নজরুল ইসলাম দাবি করেন, এমএইচ কনস্ট্রাকশনই সরাসরি মাঠ পর্যায়ে কাজ সম্পাদন করছে।
জানা গেছে, এই প্রকল্পটিতে মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের সঙ্গে অপরিহার্য অবকাঠামো সংস্কার ও উন্নয়নের যে কাজ অন্তর্ভুক্ত আছে তারই অধীনে রাস্তা তৈরী, পানির লাইন সংস্কার, দর্শনাথীদের বসার সিট মেরামত ও বাথরুম অধুনিকীকরণের কাজ হচ্ছে বর্তমানে। আগেই বলা হয়েছে এই প্রকল্পের মোট বরাদ্দ ৩৪ কোটি ২ লাখ টাকা। গত বছর খরচ হয়েছে প্রায় সোয়া তিন কোটি টাকা। বাকি টাকা এ অর্থবছরের মধ্যে খরচ করতে হবে। অর্থবছরের শুরুতেই বিভিন্ন কাজের জন্য ৫টি লটের টেন্ডার আহ্বান করা হয়। তারমধ্যে একটি লটের রাস্তাঘাট সংস্কারের কাজের প্রাক্কলন ছিল ২ কোটি ৩৮ লাখ টাকার। দেখা যাচ্ছে, কাঁটায় কাঁটায় হিসাব ধরে ঠিকাদার প্রাক্কলিত ব্যয়ের ১০% নিম্নদের দরপত্র দাখিল করেছে। যা একটা অসম্ভব ব্যাপার। ই-জিপির টেন্ডারে ঠিকাদার কোনো ক্রমেই প্রাক্কলিত ব্যয়ের সঠিক তথ্য জানার কথা নয়, ভেতর থেকে কেউ ফাঁস না করলে। বস্তুত এমএইচ কনস্ট্রাকশন কাজটি পেয়েছে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে গোপন বোঝাপড়ার ভিত্তিতেই। কাজটি পেয়ে নাবিল প্রপার্টিজের কাছে বিক্রি করে দিয়েছে। আর এসব অপকর্মের কারণেই সংস্কার উন্নয়ন কাজ হচ্ছে অত্যন্ত নিম্নমানের। যদিও কিউরেটর নজরুল ইসলাম এই অভিযোগগুলোকে অস্বীকার করেন এবং তিনি দাবি করছেন, সব কাজ অত্যন্ত স্বচ্ছভাবেই সম্পাদন হচ্ছে।
দুর্নীতি মামলার আসামী ও দুর্নীতির দায়ে বরখাস্তকৃত ব্যক্তিকে পরামর্শক নিয়োগদানের বহুল আলোচিত ঘটনাটি প্রসঙ্গে অভিযোগ উঠেছে যে, কিউরেটর এসএম নজরুল ইসলাম তথ্য গোপন করেই এই নিয়োগ দিয়েছেন। তবে শীর্ষকাগজের প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে কিউরেটর এ অভিযোগকে অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, প্রকৌশলী আলী আকবর যে দুর্নীতি মামলার আসামী এবং চাকরি থেকে বরখাস্তকৃত এটি তার জানা ছিল না। তিনি দাবি করেন, মন্ত্রণালয়েও এ ধরনের কোনো চিঠি বা তথ্য নেই। যদিও এ ঘটনাটি বহুল আলোচিত এবং মন্ত্রণালয় ও অধিদফতরের সকলেই কমবেশি এসব তথ্য সম্পর্কে অবগত। 
উল্লেখ্য, প্রকৌশলী আলী আকবর এক সময় প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের অধীনে “দ্বিতীয় পশু সম্পদ উন্নয়ন” প্রকল্পের সহকারী প্রকৌশলী ছিলেন। বর্তমানে প্রকল্পটি নেই। ওই প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ২০০৯ সালে আলী আকবরের বিরুদ্ধে মামলা করে। দুর্নীতির মামলায় চার্জশিট জমা হওয়ার পর ২০১১ সালে আলী আকবরকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। পরে তার বরখাস্তের আদেশ আর প্রত্যাহার হয়নি। শুধু একটি/ দুটি নয়, বিভিন্ন ঘটনায় দুদক মোট ৮টি মামলা করে তার বিরুদ্ধে। দুদকের আট মামলাতেই তিনি জামিনে আছেন। বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানা ও রংপুর চিড়িয়াখানার মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন এবং অপরিহার্য অবকাঠামো সংস্কার ও উন্নয়ন প্রকল্পে পরামর্শক হিসেবে আলী আকবর নিয়োগ পেয়েছেন গত মে মাসে। দুর্নীতি-অনিয়মে যে কর্মকর্তা জর্জরিত, তাকেই নিয়োগ দেয়া হয়েছে জাতীয় চিড়িয়াখানার মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানটিতে প্রধান পরামর্শক পদে! 
সূত্র জানায়, চিড়িয়াখানার বিভিন্ন কর্মকা- নিয়ে মন্ত্রণালয়ে একাধিক লিখিত অভিযোগ জমা পড়লেও এসবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছেনা, বরং এ প্রতিষ্ঠানটিতে দুর্নীতির প্রবণতা আরো বাড়ছে। এর মূল কারণ, মন্ত্রণালয়ের সচিব রইছউল আলম ম-ল। তিনি এসব দুর্নীতিকে সরাসরি প্রশ্রয় দিচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। জানা গেছে, বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালকরা সচিবের বাসায় খাম দিয়ে দেখা করতে হয়। এমনকি সচিবের বাসার বাজারও নাকি হয় চিড়িয়াখানার নিয়মিত বরাদ্দ থেকে।
এরকমের পরিস্থিতিতে চিড়িয়াখানা আধুনিকীকরণের জন্য নেয়া সরকারের পরিকল্পনা কতটা বাস্তবায়িত হবে এবং সাধারণ মানুষ এ থেকে কতটুকু সুফল পাবে তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। জানা গেছে, মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়নের মাধ্যমে চিড়িয়াখানায় বেড়াতে আসা দর্শনার্থীদের আধুনিক সুবিধা দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। একমুখী রাস্তা তৈরি করা হবে। প্রধান ফটক ও অন্যান্য ছোট ফটক, সুরক্ষা দেয়াল, দিকনির্দেশক সব শ্রেণির দর্শনার্থীদের সহজে যাতায়াতের জন্য সিঁড়ি ও বসার ব্যবস্থা (ফুটপাত ও পার্কে ছাউনি এবং ছাউনি ছাড়া), রেলিং, সড়কদ্বীপ, রোড ডিভাইডার ও বিভিন্ন গাছের পাত্র, রাস্তা এবং বাগানে আলোর ব্যবস্থা, ফুটওভারব্রিজ, আন্ডারপাস, দেয়াল তৈরি ও বনায়নের (ভূ-প্রাকৃতিক) কাজও রয়েছে। পাশাপাশি চিড়িয়াখানার পশুপাখির খাঁচা পুরোপুরি বন্য আবহে তৈরি করতে জাপানি জু-আর্কিটেকচার ও জু-কনসালট্যান্টের সহায়তা নেওয়ার কথা রয়েছে। প্রচলিত পদ্ধতির প্রাণী খাঁচাকে বদলে আধা প্রাকৃতিক, প্রাণিবান্ধব ও তিনস্তরের নিরাপত্তা বলয়বিশিষ্ট খাঁচা তৈরির প্রস্তাব রয়েছে। প্রতিটি প্রাণীর নিজস্ব আবাসস্থলের মতো পরিবেশ তৈরি করতে খাঁচার ভেতরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকবে স্বনিয়ন্ত্রিত বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা। কিন্তু শুরুতেই এমন দুর্নীতিমূলক কর্মকা-ের কারণে এসব কর্মসূচির আদৌ সফল বাস্তবায়ন নিয়েই সংশয় দেখা দিয়েছে।
(সাপ্তাহিক শীর্ষকাগজে ১৯ আগস্ট ২০১৯ প্রকাশিত)