shershanews24.com
উপেক্ষিত নির্দেশনা ও বিধিমালা নির্ধারিত সময়ের পরও খোলা থাকছে সচিবালয়ের অনেক দফতর
শুক্রবার, ০৮ নভেম্বর ২০১৯ ০৪:০৯ অপরাহ্ন
shershanews24.com

shershanews24.com

সাপ্তাহিক শীর্ষকাগজের সৌজন্যে: দেশের প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র সচিবালয়। খোলার দিনগুলোতে সারাদিনই সরগরম আর কর্মচঞ্চল থাকে সুবিশাল অট্টালিকার সব কক্ষ। মন্ত্রী, সচিব, বিভিন্ন পর্যায়ের অসংখ্য কর্মকর্তা আর কর্মচারীদের পদচারণায় মুখর থাকে সচিবালয়। সংসদ সদস্যরা তো আসেনই, বিভিন্ন জেলা থেকে সরকারি কর্মকর্তারাও আসেন দিনভর, মন্ত্রীদের সাথে দেখা করতে আসেন নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকার দলীয় নেতা-কর্মীরা। তাছাড়া তদবির পার্টিতো আছেই। সচিবালয়ে তদবির ব্যবসায় নিয়োজিত আছে অনেক সুন্দরী মহিলাও। সবমিলিয়ে দিনভর পদচারণায় মুখর থাকে সচিবালয়।
সচিবালয় চলার কথা সুনির্দিষ্ট নিয়ম মেনে, এর কার্যক্রম শুরুর যেমন একটা সময় আছে তেমনি আছে দিনের কর্মঘণ্টা শেষ হওয়ারও সময়। কিন্তু এরিমাঝেও কখনো কখনো ঘটে নানা অনিয়ম-এমনই একধরণের অনিয়ম হচ্ছে সচিবালয়ে নির্ধারিত সময়ের পরও একশ্রেণির কর্মকর্তার অফিসে অবস্থান করার প্রবণতা। সচিবালয়ের বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, অফিসের সময় শেষ, সন্ধ্যা গড়িয়ে রাত হয়ে গেলেও সচিবালয়ের অনেক দফতর বা অফিসে থেকে যান একশ্রেণির কর্মকর্তা-কর্মচারী। অফিস সময়ের পরে তারা কেন অফিসে থাকেন সে ব্যাপারে কারো কাছে কোন জবাবদিহীতা করতে হয় না বা নিয়ম থাকলেও কারো অনুমতিও নেয়া হয় না। কি হয় সে সময় সচিবালয়ের ওইসব অফিস বা দফতরে? সারাদিন কাজ করার পরও তাদের এমন কি কাজ থাকে যে জন্য অফিসে থাকতে হয় সন্ধ্যার পরও!
সচিবালয়ের একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারীর সাথে কথা বলে জানা গেছে, সচিবালয়ের অনেক কর্মকর্তাই নিজেদের খেয়াল খুশিমত অফিসে অবস্থান করেন। অনেক মন্ত্রণালয়ে বায়োমেট্রিক হাজিরার পদ্ধতি চালু করা হলেও কর্মকর্তাদের মধ্যে এটি অনুসরণ করার প্রবণতা নেই বললেই চলে। অনেকে নির্ধারিত সময়ে আসেন না, অনেকে আবার অফিস শেষেও নিজ নিজ দফতরেই অবস্থান করেন। অথচ নির্দিষ্ট ব্যক্তি ও নির্ধারিত কাজ ছাড়া কারোই সচিবালয়ে অতিরিক্ত সময় থাকার সুযোগ নেই। 
২০১৪ সালে ঘোষিত সচিবালয় নির্দেশমালায় অফিস সময়ের পর সচিবালয়ে অবস্থান নিয়ে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেয়া আছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা ওই নির্দেশমালার সপ্তম অধ্যায়ে ’স্থায়ী নিরাপত্তা’ অনুচ্ছেদে ২৫৪ ধারায় বলা হয়েছে- দায়িত্ব পালনের স্বার্থে নিয়োজিত পুলিশ ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনী এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধি, নির্মাণ কর্মী, পরিচ্ছন্নতা কর্মী, রেস্তোঁরা, মনোহারী দোকান ও মসজিদের কর্মকর্তা এবং কর্মচারীগণের মধ্য হইতে অফিস সময়ের পর কেহ সচিবালয়ে অবস্থান করিলেন কি না তাহা অফিস সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ যাচাই করিবেন। তাহারা অফিস সময়ের পরে এবং ছুটির সময়, সচিবালয়ে অননুমোদিতভাবে অবস্থানকারী কর্মকর্তা ও কর্মচারী এবং দর্শনার্থীকে চিহ্নিত করিয়া উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন। 
তবে সচিবালয়ের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, এ আইনটি আসলেই একটি ‘কেতাবী আইন’ যার কোন প্রয়োগ নেই। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অনেক মন্ত্রণালয়েই নির্ধারিত সময়ের পর খোলা থাকে কিন্তু আইনি বাধ্যবাধকতা থাকলেও সেসব ক্ষেত্রে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অবহিত করার বিষয়টি মোটেই অনুসরণ করা হয় না। 
বেশ কিছুদিন সচিবালয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে খোঁজ-খবর নিয়ে এবং সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, প্রায় সব দফতরই সময়ের কাজ সময়ে শেষ করার ব্যাপারে খুবই উদাসীন। একশ্রেণির কর্মকর্তা নিজেদের খেয়াল খুশিমত অফিস করেন। শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় এবং অর্থমন্ত্রণালয়ের ফাইল ও নথিছাড়ের ক্ষেত্রে অন্য মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে বিশেষ তাগিদ বা কর্মতৎপরতা দেখা যায়। কিন্তু বাকি প্রায় সব ক্ষেত্রে কাজকর্ম চলে ঢিলেঢালাভাবে সর্বত্রই গাছাড়া ভাব।
একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নির্ধারিত সময়ের পর অফিসে থাকার কোন কারণ নেই এমন অনেকেই সে সময় অফিসে অবস্থান করেন, মূলতঃ মন্ত্রী বা সচিবের সাথে সুসম্পর্ক থাকায় তারা নিজেদের খেয়াল খুশিমত অফিসে অবস্থান করেন, আবার কেউ কেউ অফিসে অবস্থান করেন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে থাকার জন্য। তবে আরেকটি শ্রেণিকেও অফিসে থাকতে হয়, তারা থাকেন নেহায়েৎ দায়ে পড়ে বা বাধ্য হয়ে। কেন না যতক্ষণ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা অফিস ত্যাগ না করেন তাদের পক্ষে কোনভাবেই অফিস ছাড়া সম্ভব হয় না, কখন যে কার ডাক পড়ে যাবে তার কোন ঠিকঠিকানা নেই। তাই অনিচ্ছা সত্ত্বেও অনীহা নিয়েই অনেককে অফিসে থাকতে হয়। সচিবালয়ের গাড়িতে যাতায়াত করেন এমন কারো কারো অফিসের গাড়িও ‘মিস’ হয় কিন্তু তাদের তেমন কিছু করার বা বলার থাকে না। আবার অনেকে কিছু উপরি আয় কিংবা সুযোগ-সুবিধা বাগানোর জন্যও অতিরিক্ত সময় অফিস করে থাকেন।
শুধু পুরুষ কর্মকর্তাই নন, অনেক নারী কর্মকর্তাও অফিসে অবস্থান করেন কিংবা থাকতে বাধ্য হন। মধ্যমস্তরের একজন নারী কর্মকর্তা বলেন, কর্তার ইচ্ছায় কর্ম, অফিসের বস যতক্ষণ অফিসে থাকেন বাধ্য হয়েই তার অধীনস্থদের অফিসে থাকতে হয়। 
তবে শুধু সচিবালয়ে কর্মরত নারীই নয়, দিনের বিভিন্ন সময় সচিবালয়ে হরদম ঢুকছেন একশ্রেণির নারী। তাদের অনেকের পাস গেটেই থাকে, আবার কেউ কেউ নানাভাবে সচিবালয়ের স্টিকারও লাগিয়ে নিয়ে খুব সহজেই ঢুকে যাচ্ছেন। এ প্রথাটা অবশ্য হালের কোন বিষয় নয়, বহু আগে থেকেই চলে আসছে। সুন্দরী তদবিরবাজদের কারণে মন্ত্রী ও সচিবদের অনেক পিএস আর এপিএসও অতীষ্ঠ। কারণ, প্রবেশের ক্ষেত্রে দেরি হলেও তারা অনেক সময় অসদাচরণ করে থাকেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মকর্তা বলেছেন, সচিবালয় নিয়ে নানা গুঞ্জন রয়েছে। যার অনেকটা সত্যতাও আছে বলে মনে করা হয়। তবে তারপরও প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র সচিবালয়ে যাতে জামালপুরের ডিসি এনামুল কবিরের মতো মহা কেলেংকারি কা- না ঘটে সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। 
জনপ্রশাসনের একজন সাবেক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেছেন, সচিবালয় দেশের প্রশাসনের সর্বোচ্চ কেন্দ্র। এর কার্যক্রম সারাদেশের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাছে আদর্শ বা অনুকরণীয় বিষয়ে পরিণত হওয়ার কথা। কাজ কর্মে সচিবালয়ে এসে যদি জেলা পর্যায়ের বা অধীনস্থ দফতরের কোন কর্মকর্তা-কর্মচারী হয়রানির মুখে পড়েন তা তার মধ্যে একধরণের নেতিবাচক ধারণার জন্ম দেয় এবং নেতিবাচক শিক্ষা তৈরি করে। তিনি সচিবালয়ে এসে যে ধরণের আচরণ বা ব্যবহারের মুখোমুখি হন নিজ দফতর বা কার্যালয়ে অনেক ক্ষেত্রে তার প্রয়োগ ঘটানোর চেষ্টা করেন।
তবে যাদের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টার পরও অফিসে থাকার অভিযোগ আছে তাদের বেশিরভাগই সচিবালয় বা প্রশাসনের কোন না কোন সিন্ডিকেটের অংশ বলে জানা গেছে। একজন কর্মকর্তা অনুযোগের সুরে বলেছেন, নির্ধারিত কর্মঘণ্টার মধ্যে স্বাভাবিক কাজ-কর্ম নিয়ে ব্যস্ত থাকায় সিন্ডিকেটের সদস্যরা অফিসের কর্মঘণ্টার পরে নিজেদের মধ্যে নানাবিধ বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। এছাড়া ’স্যার’ এর সাথে কুশল বিনিময়ের নামেও কোনো কোনো মাঝারি কর্মকর্তারা চলে আসেন অন্য মন্ত্রণালয়ে। কথার ফাঁকে ফাঁকে নিজের বা আত্মীয়স্বজনের বদলি, পদায়নের মতো তদবিরগুলো করেন। এমনকি নিয়োগ, বদলি, ক্রয়, নির্মাণসহ সরকারি অর্থ ব্যয়ে নানা কাজের তদবিরও তারা এ সময় করে থাকেন। নিজ এলাকার মন্ত্রীর সাথে আলোচনা করেন, পদোন্নতিসহ নানা বিষয় নিয়েও কথা বলেন তারা। আবার নিজ এলাকার পদস্থ কর্মকর্তাদের হাতে রাখতে মন্ত্রী, সচিবরাও তাদেরকে যথেষ্ট আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়ে থাকেন। কিন্তু, কোনো কোনো ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কোনো কাজ ছাড়াই নারী-পুরুষ কর্মকর্তাকে নিজ দফতরে অফিস আওয়ারের পরও অবস্থান করতে দেখা যায়। এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে কানা-ঘুষা চলে। অফিসের পরিবেশও বিঘিœত হয়।
সচিবালয়ের নিরাপত্তায় নিয়োজিত একাধিক সদস্যের সাথে কথা বলে জানা গেছে, নির্দিষ্ট সময়ের পরে যারা অফিসে থাকেন তাদের বেশিরভাগই রাজনৈতিক শক্তির আশির্বাদপুষ্ট। আবার অনেক সময় মন্ত্রী বা সচিব রাজধানীরই অন্য কোথাও কিংবা ঢাকার বাইরে থেকে সচিবালয়ে ফিরবেন সেজন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অনেক কর্মকর্তাকে বাধ্য হয়েই অফিসে থাকতে হয়। তিনি বলেন, অতিরিক্ত সময় সচিবালয়ে অবস্থান করার বিষয়টি নিরাপত্তার দিক থেকেও ঝুঁকিপূর্ণ। 
কর্মকর্তা-কমচারীদের নিধারিত সময়ের পরেও সচিবালয়ে থাকার প্রবণতা এক সময় এতটা সাদামাটা বিষয় হয়ে ওঠে যে শেষাবধি তা নিয়ন্ত্রণে উদ্যোগও নিতে হয়। ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক আদেশে বলা হয়েছিল, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ছাড়া অফিস সময়ের পর সচিবালয়ে কেউ অবস্থান করতে পারবেন না, কোন কারণে যদি কারো রাতে সচিবালয়ে অবস্থান করা অপরিহার্য হয়, তাহলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিতে হবে। অবশ্য পরে ওই আদেশ সংশোধন করে মন্ত্রী ও সচিবের দফতরের ক্ষেত্রে এই বিধিনিষেধে শিথিলতা আনা হয়। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, শুধু মন্ত্রী-সচিবের দফতরই নয়, অন্য কর্মকতারাও অনেকে অফিসের নির্ধারিত সময় মানছেন না। কোনো কোনো ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কোনো কাজ ছাড়াই নারী-পুরুষ কর্মকর্তাদের অফিস সময়ের পরও নিজ দফতরে অবস্থান করতে দেখা যায়। উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা যায়, অর্থ মন্ত্রণালয়ের বাজেট অনু বিভাগে বর্তমানে কাজের কোনো ব্যস্ততা নেই। সাধারণত প্রতিবছর বাজেট তৈরির আগে কয়েক মাস এ উইংকে অনেক ব্যবস্ততার মধ্যে কাটাতে হয়। আবার জুনে বাজেট পেশের পর কয়েক মাস হাতে কোনো কাজ থাকে না। অথচ এই সময়েও বাজেট অনুবিভাগে কোনো কোনো পুরুষ, এমনকি নারী কর্মকর্তাকেও অফিস ময়ের পর নিজ দফতরে অবস্থান করতে দেখা যায়। এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে কানাঘুষাও রয়েছে।
উল্লেখ্য, সচিবালয়ের নিরাপত্তায় ওয়াচ টাওয়ার বসানো হয়েছে আগেই, পুরো সচিবালয়ই কার্যতঃ সিসিটিভির আওতায় এসেছে। গত বছরের জানুয়ারি মাসে সচিবালয়ের ১, ২ ও ৫ নম্বর গেটে ব্যাগেজ স্ক্যানার মেশিন ও আর্চওয়ে স্থাপন করা হয়। এ উপলক্ষ্যে সচিবালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল জানিয়েছিলেন, বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ২০ হাজারের বেশি মানুষ সচিবালয়ে যাতায়াত করে আর তিন হাজারের বেশি যানবাহন প্রবেশ করে। 
সচিবালয়ে কর্মরত একাধিক কর্মকর্তা বলেছেন, সচিবালয়ের নিরাপত্তায় কোন শিথিলতা দেখানো যাবে না বা ঢিলেমি করা যাবে না। সড়ক পরিবহন মন্ত্রীর একটি মন্তব্যের কথা উল্লেখ করে তারা বলেছেন, সম্প্রতি রাজধানীর সায়েন্স ল্যাবরেটরিতে পুলিশকে লক্ষ্য করে বোমা নিক্ষেপের পর সড়ক পরিবহন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সরাসরিই বলেছেন, ওই হামলাটি টেস্ট কেস হতে পারে, সন্ত্রাসীদের হয়তো বড় ধরণের কোনও হামলার পরিকল্পনা আছে। ছোট ছোট ঘটনার মধ্য দিয়ে এক সময় যে মন্ত্রী-সংসদ সদস্যরা তাদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবেন না, তা বলা যায় না। 
সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, গুরুত্বপূর্ণ কাজের নামে অতিরিক্ত সময় সচিবালয়ে অবস্থানের প্রবণতার বিরুদ্ধে সরকারকে কঠোর হতে হবে, তারা মানে শুধু নিরাপত্তার স্বার্থেই নয়, যদি তা করা হয় তবে তা দুর্নীতি, অনিয়ম, সিন্ডিকেট আর তদবির বাণিজ্যের লাগামও কিছুটা হলেও টেনে ধরবে।
(সাপ্তাহিক শীর্ষকাগজে ১৪ অক্টোবর ২০১৯ প্রকাশিত)