মঙ্গলবার, ১৬-জুলাই ২০১৯, ১২:৫১ অপরাহ্ন
  • অফিস-আদালত
  • »
  • শিশু ডিপজল হত্যা মামলার সব আসামি হাইকোর্টে খালাস

শিশু ডিপজল হত্যা মামলার সব আসামি হাইকোর্টে খালাস

shershanews24.com

প্রকাশ : ০৯ জুলাই, ২০১৯ ০৩:৪৬ অপরাহ্ন

শীর্ষকাগজ, ঢাকা : বাগেরহাটের মোল্লাহাটে দেড় বছর বয়সী শিশু ডিপজলকে পানিতে ফেলে হত্যার ঘটনায় নিম্ন আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মা লতিফা বেগম, প্রতিবেশী মনির মোল্যা এবং নাজমা  বেগমকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট। 
আজ মঙ্গলবার বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথ ও বিচারপতি সহিদুল করিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ আসামিদের আপিল ও ডেথরেফোরেন্সের শুনানি নিয়ে এই রায় দেন।
আদালতে আসামী পক্ষে ছিলেন এ কে এম ফজলুল হক খান ফরিদ ও  আইনজীবী সাইফুর রহমান রাহি। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এমএ মান্নান মোহন ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আতিকুল হক সেলিম।
পরে এ কে এম ফজলুল হক খান ফরিদ বলেন, চাক্ষুষ সাক্ষী না থাকাসহ বিভিন্ন কারণে আসামীরা খালাস পেয়েছেন। ডেপুটি অ্যাটনি জেনারেল এমএ মান্নান মোহন বলেন, সাক্ষীদের সাক্ষ্যে গড়মিল থাকাসহ বিভিন্ন কারণে ডেথ রেফারেন্স রিজেক্ট করা হয়েছে। এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আপিল করা হবে।

নথি থেকে জানা যায়, লতিফা বেগমের সঙ্গে প্রতিবেশী মনির মোল্যার পরকীয়া প্রেমের  সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এ নিয়ে ঝগড়ার পর স্ত্রী লতিফা বেগমকে মারধর করেন ইকু বিশ্বাস। পরকীয়ায় বাধা ও মারপিটের ঘটনায় আসামিরা ইকু বিশ্বাসের ওপর ক্ষিপ্ত হন। ২০০৫ সালের ১২ই এপ্রিল ভোরে ডিপজল নিখোঁজ হন।
পরদিন বাড়ির পাশের একটি পুকুর থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ওই দিনই মোল্লাহাট থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়। তবে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর ওই বছরের ২৯শে অক্টোবর মনির মোল্যা ও নাজমা বেগমকে আসামি করে মোল্লাহাট থানায় একটি হত্যা মামলা করেন ইকু বিশ্বাস। তদন্ত শেষে ২০০৬ সালের ১০ই মে এজাহারভুক্ত দুই আসামি ও শিশুটির মা লতিফা বেগমকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।
এ মামলায় এর আগে ২০১৪ সালের ২১শে এপ্রিল বাগেরহাটের দায়রা জজ আদালতের রায়ে  মোল্লাহাট উপজেলার নগরকান্দি গ্রামের ইকু বিশ্বাসের স্ত্রী ও ডিপজলের মা লতিফা বেগম, একই গ্রামের আয়েন উদ্দিন মোল্যার ছেলে মনির মোল্যা ও লুৎফর রহমানের স্ত্রী নাজমা বেগমকে মৃত্যুদণ্ড দেন। তাদের মধ্যে মনির মোল্যা ও নাজমা বেগম সম্পর্কে ভাই-বোন। পরে ডেথ রেফারেন্স হিসেবে বিষয়টি হাইকোর্টে পাঠানো হয়। পাশাপাশি আসামিরা ফৌজদারি আপিল ও জেল আপিল করেন।
শীর্ষকাগজ/জে