শনিবার, ১২-জুন ২০২১, ০৪:৫৪ অপরাহ্ন
  • শিক্ষা
  • »
  • সুযোগ পেলে নায়ক হিসেবে অভিনয় করতে রাজি বেরোবি উপাচার্য কলিমউল্লাহ

সুযোগ পেলে নায়ক হিসেবে অভিনয় করতে রাজি বেরোবি উপাচার্য কলিমউল্লাহ

shershanews24.com

প্রকাশ : ১১ জুন, ২০২১ ১২:৫৫ অপরাহ্ন

শীর্ষনিউজ, বেরোবি: অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে আলোচনা-সমালোচনা যেন পিছু ছাড়ছে না। কিছুদিন পর পরই ড. কলিমউল্লাহর কোন না কোন ইস্যু নিয়ে আলোচনা চলতেই থাকে। গত বুধবারও রাত ৩টায় ক্লাস নিয়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এখন কলিমউল্লাহ ইস্যুতে ভরপুর। এই আলোচনা-সমালোচনার সঙ্গে যোগ হয়েছে কলিমউল্লাহ অভিনীত একটি চলচ্চিত্রের দৃশ্য ভাইরাল হয়ে।

সিনেমার ওই দৃশ্যে দেখা যায়, পুলিশের একজন উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা ড. কলিমউল্লাহ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একজন উপাচার্য হিসেবে সিনেমায় অভিনয় করা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে চলচ্চিত্রে অভিনয় করাকে ইতিবাচকভাবেই দেখছেন তিনি।

কলিমউল্লাহ বলেন, ফেসবুকে যে ভিডিওটি ভাইরাল সেই সিনেমায় আমি প্রথম অভিনয় করি। ব্যাপক ব্যবসা সফল সিনেমা ‘শ্যুটার’। যেটি একসঙ্গে সারাদেশের ১৪৮ প্রেক্ষাগৃহে  মুক্তি পায়। শ্যুটার সিনেমায় আমি মূলত ঢাকার পুলিশ কমিশনারের চরিত্রে অভিনয় করি।

কোন চলচ্চিত্রে নায়কের চরিত্রে অভিনয় করতে চান কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, কোনো পরিচালক যদি এমন প্রস্তাব দেন, তাহলে সানন্দে গ্রহণ করবেন।

নিজের অভিনয় জীবনের ইতিহাস টেনে গণমাধ্যমকে কলিমউল্লাহ বলেন, তার শিক্ষাজীবন শুরু হয় বুলবুল ললিতকলা একাডেমিতে (পুরান ঢাকার আহসান মঞ্জিল সংলগ্ন ওয়াইজঘাটে)। সেখানে তিনি তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পড়ালেখা করেন। সেখানে পড়তে গিয়ে তিনি অভিনয়সহ নাচ-গানের প্রতি আগ্রহী হয়ে ওঠেন। পারিবারিক অনুপ্রেরণাও তার সঙ্গী ছিল।

মাস্টার্স লেভেলে স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া বিভাগে পড়তে গিয়ে সতীর্থ হিসাবে পান ‘লাল কাজল’ চলচ্চিত্রের পরিচালক মতিন রহমান, অভিনেত্রী আফসানা মিমি, মাসুকা আলম রাকাসহ আরো অনেককে। ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া বিভাগে পড়ালেখা করাকালীন তিনি ফিল্ম স্টাডি দেখতে হলিউড গিয়েছিলেন বলেও জানান তিনি।

সিনেমার দৃশ্য নিয়ে ফেসবুকে ট্রল করা প্রসঙ্গে নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ বলেন, কেউ যদি আমার অভিনয় নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা এমন কি ট্রল করে তাহলে বুঝতে হবে অভিনেতা হিসেবে আমি স্বার্থক। কেন না একজন অভিনেতার প্রধান কাজ হচ্ছে দর্শককে আনন্দ দেওয়া।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য চলচ্চিত্রে অভিনয় করাটা অনেকে নেতিবাচক হিসেবে দেখছে এ বিষয়ে তিনি বলেন, দেখুন আমি কিন্তু আমার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করছি। এটা করতে গিয়ে কখনো কখনো আমি দিনে ২২ ঘণ্টা কাজ করে থাকি। কাজের ফাঁকে আমি যে অভিনয় করছি, এটা সবার ইতিবাচক হিসেবে দেখা উচিত। আমি মনে করি আমাকে দেখে অন্য কোনো উপাচার্যের মনে যদি অভিনয়ের সুপ্ত ইচ্ছে থাকে তাহলে সব সংশয় দূর করে তিনিও অভিনয় আসবেন।

শীর্ষনিউজ/এসএফ