রবিবার, ১৬-মে ২০২১, ০১:৫২ পূর্বাহ্ন
  • এক্সক্লুসিভ
  • »
  • চাল সিন্ডিকেটের কারসাজিতে সরকার বেকায়দায়, মন্ত্রণালয়ও জড়িত 

চাল সিন্ডিকেটের কারসাজিতে সরকার বেকায়দায়, মন্ত্রণালয়ও জড়িত 

shershanews24.com

প্রকাশ : ০১ মার্চ, ২০২১ ১০:৩৩ পূর্বাহ্ন

সাপ্তাহিক শীর্ষকাগজের সৌজন্যে: ব্যাপকভাবে শুল্ক হ্রাস ও চাল আমদানির খবরে মাঝে মূল্যবৃদ্ধির প্রবণতা কিছুটা স্তিমিত হয়েছিল। ক্ষেত্রবিশেষে কেজি প্রতি দামও দু’এক টাকা কমতে শুরু করেছিল। কিন্তু সরকারি গুদামে মজুত সংকট থাকায় এবং অন্যদিকে চুক্তি ও আমদানির অনুমতি অনুযায়ী বিদেশ থেকে চাল না আসায় আবারো বেড়েই চলেছে দাম। এর প্রভাব পড়ছে আটা-ময়দার উপরও। গত এক সপ্তায় সরু ও মোটা উভয় প্রকারের চালের দামই বেড়েছে। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি শনিবার এ প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়। এদিন বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, আগের শনিবারের তূলনায় এক সপ্তায় কোনো কোনো চাল কেজিতে ৫ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। যদিও সম্প্রতি ইতিমধ্যে লাখ লাখ টন খাদ্যশস্য আমদানির জন্য চুক্তি করা হয়েছে সেই তূলনায় চাল বিদেশ থেকে আসছে না। আর এ কারণেই নতুন করে আবার দাম বাড়তে শুরু করেছে। 
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, চুক্তি হওয়া বা আমদানির অনুমতি পাওয়া চাল যথাসময়ে না আসার পেছনেও কাজ করছে সেই চাল সিন্ডিকেট। চাল মজুতদার, মিলার ও আমদানিকারকের সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে এই সিন্ডিকেট। মূল্যবৃদ্ধির মাধ্যমে মানুষের পকেট থেকে ইতিমধ্যে অন্তত কয়েক হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে সিন্ডিকেট।এবারের এই সিন্ডিকেটে জড়িয়ে পড়েছে স্বয়ং খাদ্য মন্ত্রণালয়ও। বস্তুত এখন খাদ্য মজুতের যে কৃত্তিম সংকট তৈরি হয়েছে এর পুরো কৃতিত্ব খাদ্য মন্ত্রণালয়েরই।
এ বছর দেশে বোরো উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যহত হয়েছে, ধান-চাল সংগ্রহ অভিযান সফল হবে না, এটা খাদ্য মন্ত্রণালয় জানতো। চালকল মালিকরা মৌসুমের শুরুতেই জানিয়ে দিয়েছিল তারা এবার চাল দিতে পারবে না। এদিকে খাদ্য অধিদফতরের গুদামে মজুতের পরিমাণও বরাবরের চেয়ে অনেক কম ছিল। দেশ মারাত্মক খাদ্য সংকটে পড়তে যাচ্ছে, এটা মন্ত্রী-সচিবসহ খাদ্য অধিদফতর এবং মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা ভালো করেই জানতেন। গত জুন-জুলাই মাসে এ ব্যাপারে কর্মকর্তারা মন্ত্রী-সচিবকে জানিয়েছিলেন। অভিজ্ঞমহল থেকেও মন্ত্রী-সচিবের কাছে এ বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছিল। তাছাড়া খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার নিজেও একজন প্রতিষ্ঠিত চাল ব্যবসায়ী ছিলেন। দেশের মিলার এসোসিয়েশনের নেতাও ছিলেন। কাজেই তার নিজেরও এসব নখদর্পনে। তারপরও তিনি কোনো পদক্ষেপ নেননি। এমনকি গত সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে যখন সংগ্রহ অভিযান মারাত্মকভাবে ব্যহত হলো, সংকটজনক পরিস্থিতির কারণে ভিজিএফ, টিআর, কাবিখা, জিআর বাবদ চালের বরাদ্দ বাতিল করে টাকায় রূপান্তরিত করতে হলো তখনও মন্ত্রী-সচিব দেদারছে বক্তব্য দিয়ে বেড়িয়েছেন, সংকট হবে না। মজুত পর্যাপ্ত আছে। 
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, চলতি অর্থবছরে ভিজিএফ, টিআর, কাবিখা ও জিআর বাবদ চাল বরাদ্দ ছিল ২ লাখ ৭৭ হাজার, ৪৯৬ মে. টন এবং গম ১ লাখ টন। খাদ্য মন্ত্রণালয় এই বরাদ্দের চাল-গম সরবরাহ করতে পারলে বাজারে সরবরাহ বাড়তো। এতে মূল্য স্থিতিশীল রাখা সম্ভব হতো। অন্যান্যবার এই পদ্ধতিতে মূল্য নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। কিন্তু এ বছর মজুত সংকট ও চাল সংগ্রহ ব্যহত হওয়ায় বরাদ্দের এই চাল ও গম টাকায় রূপান্তরিত করতে হয়েছে। ৭ অক্টোবর, ২০২০ এ ব্যাপারে অর্থ মন্ত্রণালয়ের বাজেট উইংয়ের উপসচিব মো. তৌহিদুল ইসলামের স্বাক্ষরে একটি চিঠি ইস্যু হয়। এর আগে খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি দিয়ে জানিয়ে দেয়া হয় যে, এ বছর উক্ত কর্মসূচিগুলো বাবদ বরাদ্দের চাল-গম সরবরাহ তারা করতে পারছেন না।
অথচ এমন সংকটের মধ্যেও খাদ্য মন্ত্রণালয় খাদ্যের প্রকৃত অবস্থা চেপে রাখার চেষ্টা করে গেছে। সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসেও খাদ্যমন্ত্রী এবং সচিব বলে বেড়িয়েছেন, পর্যাপ্ত খাদ্য মজুদ আছে। খাদ্য আমদানির কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। ওই সময় আন্তর্জাতিক বাজারে খাদ্যের দাম অনেক কম ছিল। শুল্ক না কমিয়েই পর্যাপ্ত খাদ্য আমদানি করা যেতো। মন্ত্রণালয় এবং অধিদফতরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ওই সময়ই খাদ্য আমদানির কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার জন্য মন্ত্রী-সচিবকে বলেছিলেন। কিন্তু তারপরও তারা কোনো পদক্ষেপ নেননি। 
সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, বর্তমান খাদ্যসংকট সৃষ্টি করা হয়েছে অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবেই। সরকারকে বেকায়দায় ফেলে নিজেদের আখের গুছিয়ে নেয়ার জন্যই এটি করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে চালের দাম বাড়তি অবস্থায় রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে চাল সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িতরা সবাই বড় অংকের লাভবান হয়েছেন ইতিমধ্যে। সাধারণ মানুষকে প্রতিনিয়ত চাল ক্রয় বাবদ বাড়তি অংক গুণতে হচ্ছে। আশংকা করা হচ্ছে, এই সংকট আরো তীব্রতর হতে যাচ্ছে। 
এর কারণ, বেসরকারি পর্যায়ে সাড়ে ১০ লাখ টন চাল আমদানির অনুমতি দেয়া হলেও চাল এসেছে এখন পর্যন্ত সবেমাত্র ২ লাখ টন, অন্যদিকে সরকারি পর্যায়ে এসেছে ১ লাখ টন। বিদেশ থেকে চাল আসছে অত্যন্ত ধীর গতিতে। কেন এতো ধীর গতিতে চাল আসছে, এর কারণ খুঁজতে গিয়ে ভয়াবহ তথ্য জানা গেছে। আমদানিকারক, মিলার, মজুতদার ও মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে যে সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে এই সিন্ডিকেটই নিজেদের মধ্যে যোগসাজশ চাল ‘ধীরে চলো’ কৌশল অবলম্বন করছে। এমন তথ্য বেরিয়ে এসেছে গত সপ্তায় খাদ্য মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় অনুষ্ঠানেই। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশে এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়েছিল। আবদুল গনি রোডস্থ খাদ্য ভবনে আয়োজিত এই সভায় খুচরা ও পাইকারী ব্যবসায়ী, মজুতদার, আমদানিকারক, মন্ত্রী-সচিবসহ সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়েরও গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। সেই সভায় খুচরা ও পাইকারী ব্যবসায়ীরা অকপটেই সিন্ডিকেটের প্রতি আঙ্গুল তুলেছেন। তারা বলেছেন, আমরা জিম্মি। আমাদের হাতে কিছুই নেই। আমরা শুধুমাত্র কেজিতে সামান্য কয়েক পয়সা ব্যবসা করি। চালের সরবরাহ না বাড়ালে আমাদের কিছুই করার নেই। সভায় খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে চালের দর স্থিতিশীল রাখার ব্যাপারে সংশিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানান। 
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সরকারিভাবে ৬ লাখ টন চাল আমদানির জন্য জি-টু-জি চুক্তি করা হয়েছে সাম্প্রতিক সময়ে। ২৭ ফেব্রুয়ারি শনিবার থাইল্যান্ডের সঙ্গে আলোচনা বৈঠক হয়েছে জি-টু-জি পদ্ধতিতে আরো ১ লাখ টন চাল আমদানির জন্য। অতীতের অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, মন্ত্রণালয়ের কর্তাব্যক্তিরা সাধারণত জি-টু-জি পদ্ধতিতে আমদানির ব্যাপারে অতি উৎসাহী থাকেন। কারণ, এতে প্রতিযোগিতামূলক দর যাচাই করা সম্ভব হয় না। বিদেশি সরবরাহকারীদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক নেগোসিশনের ভিত্তিতে এই দর নির্ধারিত হয়। এতে মোটা অংকের কমিশনের অর্থটা ডলারে পাওয়া যায় এবং সঙ্গে সঙ্গে তা বিদেশের ব্যাংকে জমা হয়ে যায়। খাদ্যমন্ত্রী পদে এডভোকেট এডভোকেট কামরুল ইসলাম থাকাকালে তার বিরুদ্ধে জি-টু-জি সংক্রান্ত অনেক অভিযোগ ছিল।
তবে জি-টু-জি পদ্ধতিতে আমদানির প্রেক্ষাপট তৈরি করতে হয় আগে থেকে পরিকল্পিতভাবেই। সংকট সৃষ্টি না হলে জি-টু-জি পদ্ধতিতে আমদানির সুযোগ সৃষ্টি হয় না। জি-টু-জি পদ্ধতিতে গম আমদানির জন্য গত সেপ্টেম্বরে রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনা চলছিলো। প্রতি মেট্রিক টন ২৫৮ ডলার হিসেবে দুই লাখ টন আমদানির আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে গিয়েও অদৃশ্য কারণে সেই আলোচনা ভেঙে যায়। এখন সেই রাশিয়ার সঙ্গেই চুক্তি করা হয়েছে ৩৫২ ডলার দরে। 
এদিকে গত জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময়ে সরকারের ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি সিঙ্গাপুরস্থ যে প্রতিষ্ঠান থেকে গম ক্রয়ের প্রস্তাব অস্বচ্ছ প্রক্রিয়ার কারণে বাতিল করেছিল সেই একই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে গম ক্রয়ের চুক্তি করেছে খাদ্য মন্ত্রণালয়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ সংক্রান্ত ফাইল ফিরে আসার সঙ্গে সঙ্গে গত ২৭ জানুয়ারি খাদ্যমন্ত্রী এবং সচিব তড়িঘড়ি এটি চূড়ান্ত করেন।
সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, খাদ্য অধিদফতরের কর্মকর্তারা এমন অনৈতিক কাজ করতে রাজি ছিলেন না। কিন্তু তাদের উপর মন্ত্রণালয় থেকে ব্যাপক চাপ সৃষ্টি করা হয় এ সংক্রান্ত প্রস্তাব চূড়ান্ত করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর জন্য।
সিঙ্গাপুরের যে প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ডিপিএম পদ্ধতিতে চুক্তি করা হয়েছে এটির নাম এগ্রোকরপ ইন্টারন্যাশনাল প্রাইভেট লিমিটেড। এটি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে অনুসৃত সরকারের ক্রয় নীতিমালা পিপিআর, ২০০৮ অনুযায়ী সরকার বা সরকারি প্রতিষ্ঠান শুধুমাত্র অন্য সরকার বা সরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে চুক্তি করতে পারে। দেশি বা বিদেশি কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে চুক্তি করতে পারে না। 
অথচ খাদ্য বিভাগের পাঠানো এগ্রোকরপ ইন্টারন্যাশনালেরই একটি দরপ্রস্তাব তার আগের সপ্তায় ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি নাকচ করে দিয়েছে অস্বচ্ছ প্রক্রিয়ার কারণে। ওই দরপ্রস্তাবটি ছিল ওপেন টেন্ডার মেথডের এবং তাতেও ৫০ হাজার টন গম কেনার প্রস্তাব করা হয়েছিল। টেন্ডারে শুধুমাত্র একটি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়ার কারণে দরপ্রস্তাবটি বাতিল করে দেয় ক্রয় কমিটি। আবার একই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ডিপিএম চুক্তিতে ৫০ হাজার টন গম ক্রয়েরই চুক্তি করা হয়। এ ব্যাপারে ক্রয় কমিটিকে ম্যানেজ করে তাদের কাছ থেকে ওয়েভার নেয়া হয়। ওই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সর্বশেষ মোট ১ লাখ টন গম ক্রয়ের চুক্তি করা হয়েছে ডিপিএম পদ্ধতিতে। নানা প্রক্রিয়ায় সংকট সৃষ্টি করে সরকারকে বেকায়দায় ফেলে পিপিআর বিরোধী এই অবৈধ কাজ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
বেসরকারি পর্যায়ে সাড়ে ১০ লাখ টন চাল আমদানির অনুমতি দেয়া হলেও এখন পর্যন্ত আমদানি হয়েছে মাত্র ২ লাখ টন। বাকি চাল আমদানির জন্য আগামি ১৫ মার্চ পর্যন্ত আমদানির সময়সীমা বেঁধে দেয়া হয়েছে। কিন্তু এই সময়ে আমদানি করতে ব্যর্থ হলেও তাদেরকে দেয়া অনুমতিপত্র বাতিল ছাড়া অন্য কোনো ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হবে না। কারণ, অনুমতিপত্রের বিপরীতে কোনো সিকিউরিটি তাদের কাছ থেকে রাখা হয়নি। এক্ষেত্রেও মন্ত্রণালয় সরকারের স্বার্থ বিবেচনায় আনেনি বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছেন। 
চালের দাম নিয়ন্ত্রণে ও সংকট মোকাবিলায় সামনের দিনগুলোর জন্য অন্তত ১০ লাখ টন চাল মজুদ রাখা প্রয়োজন বলে মনে করে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। গত মাসে ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে একথা জানায় প্রতিষ্ঠানটি। সিপিডি জানায়, গত বছর এই সময় চাল মজুদ ছিল ১৫ লাখ টন, এখন যা মাত্র ৭ লাখ টন। সামনের দিনগুলোর জন্য অন্তত ১০ লাখ টন চাল মজুদ রাখা প্রয়োজন। এখন চাল আছে মাত্র ৫ লাখ টন, গম ২ লাখ টন।
(সাপ্তাহিক শীর্ষকাগজে ১ মার্চ ২০২১ প্রকাশিত)