রবিবার, ১৬-মে ২০২১, ০১:৫৯ পূর্বাহ্ন
  • স্বাস্থ্য
  • »
  • এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার ফলে অসংগতির অভিযোগ, আবার প্রকাশের দাবি

এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার ফলে অসংগতির অভিযোগ, আবার প্রকাশের দাবি

shershanews24.com

প্রকাশ : ১৩ এপ্রিল, ২০২১ ১১:০৫ অপরাহ্ন

শীর্ষনিউজ ডেস্ক : ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার প্রকাশিত ফলে অসংগতির অভিযোগ তুলেছেন পরীক্ষার্থীদের একটি অংশ। পরীক্ষার ফলে অসংগতির কথা জানিয়েছেন ১ হাজার ৩২৩ জন অভিযোগকারী। তাদের তৈরি একটি সার্ভে ডেটাশিট থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, অভিযোগকারীরা পুনরায় ফল পুর্নমূল্যায়নের জন্য গত রবিবার স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালককে একটি স্মারকলিপি জমা দেন। গত ২ এপ্রিল সারাদেশে ১০০ নম্বরের এমসিকিউ প্রশ্নে একযোগে এ পরীক্ষা হয়। গত ৪ এপ্রিল সন্ধ্যায় ফল প্রকাশ করা হয়। 

অভিযোগকারীরা বলেছেন, পরীক্ষা শেষে পাঠ্যবইয়ের সঙ্গে প্রশ্নের উত্তর মিলিয়ে যে নম্বর প্রত্যাশা করেছিলেন, প্রকাশিত ফলাফলের সঙ্গে সেটির ব্যবধান অনেক। তাই প্রকাশিত ফলাফল স্থগিত করে আবার ফলাফল ও মেধাক্রম প্রকাশ করার দাবি জানান তারা।  

তাদের ওই স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা চার দফা দাবি হলো- মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রতিটি সেট প্রশ্নের পুনঃযাচাই করে প্রতিটি উত্তরপত্র পুনরায় স্বচ্ছতার সঙ্গে যাচাই করতে হবে, যে সমাধান দিয়ে উত্তরপত্র মূল্যায়ন করা হয়েছে, তার সাথে অভিযোগকারীদের মধ্য থেকে ১০০ জনের উত্তরপত্র একজন নিরপেক্ষ প্রতিনিধির প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে স্বহস্তে যাচাই করতে হবে, পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের সমাধানের ব্যাখ্যাসহ পূর্ণাঙ্গরূপে প্রশ্নপত্রের উত্তর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে এবং ইতোমধ্যে যে ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে তা স্থগিত করে পুনরায় ফলাফল ও মেধাক্রম প্রকাশ করতে হবে।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, ‘মেডিকেলের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার এক দিন পরে ফলাফল প্রকাশ করা হয় এবং এই ফলাফলে দেখা দেয় বড় রকমের অসংগতি। যেখানে একজন পরীক্ষার্থীর ৭০-৭৫ নম্বর পাওয়ার কথা ছিল সেখানে ফল আসে ৬০-৬৫ নম্বর। এমনকি কোথাও আরও কম। অর্থাৎ প্রায় ১০-১৫ নম্বরের অসংগতি। এটা শুধু হাতে গোনা কয়েকজন পরীক্ষার্থীদের সঙ্গেই ঘটেনি। বরং প্রায় সহস্রাধিক পরীক্ষার্থী এই অসংগতির শিকার। আর এর মধ্যে সিংহভাগই বিগত শিক্ষাবর্ষের পরীক্ষার্থী।’

এতে আরও বলা হয়, ‘নিয়ম অনুযায়ী কোথাও কোনও মেডিকেলে ভর্তি থাকা অবস্থায় কেউ যদি দ্বিতীয় বার ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে, তাহলে তার ৭.৫ নম্বর কর্তন হবার কথা। কিন্তু অনেকের ক্ষেত্রেই তা ঘটেনি। শুধু ৫ নম্বর কর্তন হয়েছে এবং ২ দশমিক ৫ নম্বর বেশি দিয়ে মেধাক্রম এসেছে। এই অসংগতির কারণে যোগ্যরা বঞ্চিত হয়েছে।’
শীর্ষনিউজ/এসএসআই